
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উৎপাদন খাতের সার্বিক চিত্রে বড় ধরনের বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং সব অঞ্চলের পরিস্থিতি একই রকম নয়। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো নির্দিষ্ট কিছু রাষ্ট্রে অক্টোবরে কারখানার সামগ্রিক কার্যক্রম আগের মাসের তুলনায় আরও দ্রুতগতিতে সম্প্রসারিত হয়েছে।
ভারতের উৎপাদন খাতের ক্ষেত্রেও প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়েছে। দেশটির বাজারে অভ্যন্তরীণ চাহিদা তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া এবং নতুন কর্মী নিয়োগের হার কমে যাওয়ার কারণে মূলত এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে।
তবে এই চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও রপ্তানি আদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির এই মন্থরতা কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পণ্যের ধারাবাহিক চাহিদা এখনো এশিয়ার উৎপাদন খাতকে বিশ্বের অন্যান্য অনেক অঞ্চলের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে এগিয়ে রেখেছে।
তা সত্ত্বেও, এই ধরনের পণ্যের চাহিদা ঠিক কত দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিগুলোকে সহায়তা জুগিয়ে যেতে সক্ষম হবে, তা নিয়ে নানাবিধ অনিশ্চয়তা ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে।
বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতের বিশাল অংকের বিনিয়োগের বিপরীতে যদি কাঙ্ক্ষিত বা প্রত্যাশিত মুনাফা ঘরে না আসে, তবে সার্বিকভাবে এই প্রযুক্তিনির্ভর প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা