
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বেতন না পেয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এই ক্ষোভের জেরে তাঁরা সংশ্লিষ্ট সুপারিনটেনডেন্টকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক ও কর্মচারীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ হলো, সুপারিনটেনডেন্ট মহোদয় বেতন-বিলের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গড়িমসি করছেন। আর এই গড়িমসির কারণেই তাঁদের বেতন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
প্রতিবাদরত শিক্ষক-কর্মচারীরা আরও অভিযোগ করেন যে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও একই ব্যক্তির নানা টালবাহানা ও দীর্ঘসূত্রতার কারণে তাঁদের টানা সাত মাস বেতন বন্ধ রাখা হয়েছিল।
পরিস্থিতি বারবার এমন পর্যায়ে পৌঁছানোয় তাঁরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের সমস্যার আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে তাঁরা জোরালো দাবি জানান।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁদের সমস্ত বকেয়া বেতন পরিশোধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁরা সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও উত্থাপন করেন তাঁরা।
অন্যদিকে, শিক্ষক-কর্মচারীদের আনীত এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সুপার মো. সাইদুর রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে দাবি করেন যে, তাঁদের বেতন বন্ধ থাকার পেছনে তাঁর কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা বা দায়দায়িত্ব নেই।
সূত্র: আজকের পত্রিকা