
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
খুলনার ব্যবসায়িক ও চিকিৎসাক্ষেত্রে চরম অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোডের চয়নিকা ফার্মেসির ব্যবস্থাপক বাবুর কাছে ২০ লাখ টাকা ও ১০টি মোটরসাইকেল চাঁদা দাবি করে একটি শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্র। প্রাণনাশের হুমকির মুখে ওই ব্যবস্থাপক দোকান বন্ধ করে বর্তমানে আত্মগোপনে চলে গেছেন। ফলে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম এখন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।
একই দিনে সন্ধ্যার দিকে নগরীর আহসান আহমেদ রোডের চায়নিজ প্যালেস নামক রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।
এর আগে গত ২৪ অক্টোবর ১০ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নগরীর বাবু খান রোডের সন্ধানী ক্লিনিকে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এর ঠিক পরের দিন সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত ওই ক্লিনিকের দ্বিতীয় শাখায় সশস্ত্র মহড়া দেয় অপরাধীরা। এই রোমহর্ষক ঘটনার মাত্র দুই দিন পর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক প্রকার সমঝোতা করে চিকিৎসাকেন্দ্রটি পুনরায় চালু করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে গত ২৬ অক্টোবর পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে আহমেদের নিকট চাঁদা দাবি করে হুমকি দেয় সন্ত্রাসীরা। তাঁকে 'হয় অর্থ, নয় রক্ত' এমন ভয়ংকর বার্তা দেওয়া হয়।
এই হুমকির ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে দুজনকে গ্রেফতার করে। এই সার্বিক পরিস্থিতিতে চরম উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে গণমাধ্যমকে জানান ওই সরকারি কর্মকর্তা।
সূত্র: আজকের পত্রিকা