
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
প্রথমে রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় মাছ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর ধুয়ে রাখা মাছগুলোর গায়ে লবণ ও হলুদ গুঁড়ো ভালো করে মাখিয়ে একপাশে রেখে দিতে হবে। ঠিক একই নিয়মে বেগুনগুলো লম্বালম্বি মাপে টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। কাটা টুকরো করা বেগুনগুলোতেও লবণ ও হলুদ গুঁড়ো মাখিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে একটি রান্নার বাটি বা পাত্রে মসলার মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। বাটিতে পরিমাণমতো হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো একসঙ্গে নিতে হবে। এই গুঁড়ো মসলাগুলোর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট বা থকথকে মিশ্রণ বানিয়ে নিতে হবে। মসলার এই পেস্টটি ব্যবহারের আগে কিছু সময় রেখে দিতে হবে।
এবার চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে সরিষার তেল গরম করতে হবে। তেল ভালোভাবে গরম হলে তাতে ইলিশ মাছের টুকরোগুলো হালকা করে ভেজে নিতে হবে। মাছ ভাজা হয়ে গেলে কড়াই থেকে তুলে নিতে হবে। এরপর ওই একই কড়াইতে কেটে রাখা বেগুনগুলো দিয়ে হালকা করে ভেজে তুলে নিতে হবে।
মাছ ও বেগুন ভাজার পর কড়াইতে যে অবশিষ্ট সরিষার তেল থাকবে, সেই তেলেই রান্নার ফোড়ন দিতে হবে। তেলের মধ্যে প্রথমে কালিজিরার ফোড়ন ছাড়তে হবে। কালিজিরার সঙ্গে রান্নায় কাঁচা মরিচের ফোড়নও ব্যবহার করতে হবে।
ফোড়ন দেওয়ার পর আগে থেকে তৈরি করে রাখা মসলার পেস্ট কড়াইতে ঢেলে দিতে হবে। মসলাটি তেলের সঙ্গে ভালোভাবে নেড়ে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা কষানো সম্পন্ন হলে তাতে একে একে ভাজা বেগুন ও টমেটোর ফালিগুলো দিয়ে দিতে হবে। বেগুন ও টমেটো মসলার সঙ্গে দিয়ে আবার ভালো করে কষাতে হবে।
সবজি ও মসলা কষানো শেষ হলে পরিমাণমতো পানি ঢেলে দিতে হবে, যা দিয়ে পাতলা ঝোল তৈরি করা হবে। ঝোলের পানি যোগ করার পর পাত্রটি ফোটানোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ঝোল যখন ফুটতে শুরু করবে, তখন আগে থেকে ভেজে রাখা ইলিশ মাছের টুকরোগুলো ঝোলের মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে।
মাছ দেওয়ার পর ঝোলে আরও কিছু চেরা কাঁচা মরিচ ফালি যোগ করতে হবে। এবার কড়াইয়ের ওপর ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্নাটি সম্পন্ন করতে হবে। রান্না শেষের দিকে জালের আঁচ বন্ধ করার আগে ঝোলে লবণের পরিমাণ ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করে নিতে হবে। লবণ যাচাই করার পর চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে সুস্বাদু এই পদ।
সূত্র: আজকের পত্রিকা