
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পরিবারের সদস্য ও ভুক্তভোগী তরুণের বয়ান অনুযায়ী, গত মাসের চব্বিশ তারিখে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় বড় বোনের বাসা ছেড়ে রাজধানীর মগবাজারের দিকে যাত্রা করেন রিদয়ন। আবদুল্লাহপুর থেকে মগবাজার পৌঁছানোর বাস ধরার উদ্দেশ্যে তিনি প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনের একটি গাড়িতে আরোহণ করেছিলেন। বাসটি উত্তরা আজমপুর পয়েন্টে গিয়ে পৌঁছালে মুখাবয়ব মাস্কে ঢাকা এক অচেনা ব্যক্তি তাঁর ঠিক পাশে এসে বসেন। এই ঘটনার পরপরই রিদয়ন নিজের চেতনা ও স্মৃতিশক্তি পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেন। রাত সাড়ে নয়টার পর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটি সম্পূর্ণ বন্ধ দেখাতে শুরু করে।
ভুক্তভোগী রিদয়নের বড় ভাই শাহরিয়ার আনসারী সাংবাদিকদের জানান, اغواকারীরা তাঁর ভাইকে একটি অবরুদ্ধ অন্ধকার কুঠুরিতে বন্দি করে রেখেছিল। পুরো দিনে মাত্র একবার খাবার সরবরাহ করা হতো সেখানে। তাঁর হাত ও চোখের বাঁধন কখনোই খোলা হতো না।
গতকালের আগের দিন সোমবার রাতের বেলা চোখ দুটো বাঁধা অবস্থায় তাঁকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর অঞ্চলে ফেলে পালিয়ে যায় অপরাধীরা। এর পরদিন সকালে একটি মালবাহী ট্রাকে চড়ে সাভারের নবীনগর এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ স্টেশনে এসে পৌঁছান রিদয়ন। সেখানে অন্য এক পথচারীর মুঠোফোন ব্যবহার করে নিজের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন দ্রুত সেখানে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকার নিজ বাসভবনে নিয়ে আসেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা