
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভয়নগরের আকিজ জুট মিলে সহকর্মী হিসেবে একসঙ্গে চাকরি করতেন জেসমিন ও নিহত মাজেদা। গত চার থেকে পাঁচ মাস ধরে মোস্তফা কামালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছিলেন জেসমিন। গত শুক্রবার মিলের ছুটি থাকায় সকালের দিকে মাঠে ঘাস কাটতে চলে যান জেসমিন ও মাজেদা উভয়েই।
পথিমধ্যে তাদের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় মোস্তফা কামালের। এক পর্যায়ে সুকৌশলে মাজেদার কাছ থেকে দূরে সরে অন্য একটি স্থানে ঘাস কাটতে চলে যান জেসমিন। ঠিক সেই স্থানেই জেসমিন ও মোস্তফাকে আপত্তিকর অবস্থায় আবিষ্কার করে ফেলেন মাজেদা।
এই গোপন দৃশ্য অন্য কারো কাছে প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। এরপরই ওই দুইজনকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আঁটেন জেসমিন ও মোস্তফা।
পুলিশের তদন্ত ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে কলমিশাক তোলার অজুহাত দেখিয়ে মাজেদা ও তার স্বামী আলেককে স্থানীয় একটি মাছের ঘেরের কাছাকাছি নিয়ে যান অভিযুক্ত জেসমিন ও মোস্তফা।
সেখানকার তালতলার ভেড়ির কাছাকাছি পৌঁছানোর পর মোস্তফা তার হাতে থাকা পাসনি বা নিড়ানি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালান আলেক-এর ওপর।
এরপর মাজেদার নিজের গলাতেই তার ব্যবহৃত ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। অন্যদিকে গুরুতর মারধর করার পর আলেককে একটি পুরোনো সেচপাম্পের হাউসের ভেতরে ফেলে দেওয়া হয়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা