
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মালয়েশিয়ার জোহরের বিরুদ্ধে এক প্রীতি ম্যাচে আঘাত পাওয়ার পর আনসেলমিনো এই বর্তমান মৌসুমে চেলসি শিবিরে ফিরে আসেন। এখনো পর্যন্ত কোচ জাবি আলোনসোর তত্ত্বাবধানে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতামূলক বা আনুষ্ঠানিক ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ মেলেনি তার। তবুও এই উদীয়মান তরুণ প্রথমবারের মতো দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমে নিজেদের প্রতিভা ও সামর্থ্য প্রদর্শনের দারুণ একটি সুযোগ পেতে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, চেলসি ক্লাবের নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসও সদ্য ঘোষিত এই জাতীয় স্কোয়াডে নিজের স্থান অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। ইতিপূর্বে গত মাসের শুরুর দিকে এভারটন ক্লাবের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় চোয়ালে মারাত্মক আঘাত পান তিনি এবং পরবর্তীতে তার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এখনও পর্যন্ত তিনি নিজের ক্লাবের হয়ে কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে প্রত্যাবর্তন করতে পারেননি। গোলরক্ষক পজিশনে তার সঙ্গে এই দলে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো এবং সান্তিয়াগো বেলত্রান।
দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা এনসো ফার্নান্দেস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রক্ষণভাগের ভরসা লিসান্দ্রো মার্তিনেস এবং লিভারপুলের সৃজনশীল মিডফিল্ডার আলেক্সিস মাক আলিস্তার। পাশাপাশি, চেলসি ক্লাবের ফুটবলার ভালেন্তিন বারকো দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে জাতীয় দলে নিজের প্রত্যাবর্তনের স্বাদ পেয়েছেন। কোচ লিওনেল স্কালোনির বর্তমান ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কৌশলগত ছকে দৃঢ়ভাবে জায়গা ধরে রেখেছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেস, জুলিয়ানো সিমিওনে এবং গোলরক্ষক হুয়ান মুসো।
এছাড়াও, ইউরোপের বিভিন্ন নামী ক্লাব থেকে ডাক পাওয়া তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন রোমার সান্তিয়াগো কাস্ত্রো, মাতিয়াস সুলে ও লিওনার্দো বালের্দি। ফরাসি ক্লাব লিওঁর অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস তালিয়াফিকো, জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের রোমান ভেগা এবং কোমোর মিডফিল্ডার মাক্সিমো পেরোনেও এই দলে সুযোগ পেয়েছেন। একই সঙ্গে জার্মান ক্লাব বায়ার লেভারকুসেনের ফাকুন্দো মেদিনা এবং এসেকিয়েল ফার্নান্দেসও স্কোয়াডের খেলোয়াড় তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা