
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আইনালয় সূত্রের বরাতে প্রকাশ পায় যে, নির্ধারিত দিনে বিচারপ্রক্রিয়ার বাদী নিজে হাজির হয়ে অভিযুক্তদের জামিনের সুবিধা বাতিল করার জোরালো আবেদন জানান। ওই নির্দিষ্ট মুহূর্তে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য আসামিপক্ষের কোনো আইনজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না। উভয় পক্ষের অনুপস্থিতি ও বাদীর আবেদনের প্রেক্ষাপটে বিচারক শুনানি সম্পন্ন করে অভিযুক্তের জামিন বাতিলপূর্বক আটকের উদ্দেশ্যে পরোয়ানা জারির আনুষ্ঠানিক হুকুম প্রদান করেন।
পূর্ববর্তী বছরের ছাব্বিশে জানুয়ারি এই বিচারিক মামলাটিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন সম্পন্ন করে বিচারকাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। ওই নির্দিষ্ট দিনেও চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে আটকের জন্য পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করার মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন লাভ করেছিলেন।
গত ২০২৪ সালে এই মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর একটি প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, নায়িকা পরীমণি এবং তার পোশাক পরিকল্পনা বা কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
তবে এই মামলার অপর অভিযুক্ত ব্যক্তি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোনো সত্যতা তদন্তে মিলLocalized হয়নি। পরবর্তী সময়ে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের দাখিল করা সেই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত চিত্রনায়িকা পরীমণি এবং তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে বাধ্যতামূলক হাজির হওয়ার জন্য সমন পাঠানো হয়।
এর ধারাবাহিকতায় বিগত বছরের পঁচিশে জুন তারা উভয়েই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সশরীরে উপস্থিত হন। সেখানে তারা বিচারকের মুখোমুখি হয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামিন প্রাপ্ত হন যা পরবর্তীতে আবার বাতিলের মুখোমুখি হলো।
সূত্র: আজকের পত্রিকা