
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি সিলমোহর করা গুদাম থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত কীটনাশক চুরির মতো গুরুতর ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট সাতজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। নীলফামারীর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক বরাবর এই গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করা হয়।
বিচারিক কমিটির দায়িত্ব পালনকারী নীলফামারীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনামুল হক বসুনিয়া এই তদন্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেছেন। ঘটনার নেপথ্যে থাকা বিভিন্ন বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
আদালতে দাখিল করা এই তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত হিসেবে সর্বমোট সাতজনের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত এই ব্যক্তিদের তালিকায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা পর্যন্ত রয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন সৈয়দপুর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম রেজা, স্থানীয় কীটনাশক ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন, কৃষিবিদ মোসলেহ উদ্দিন ও তামজিদ হোসেন।
তালিকায় থাকা বাকি অভিযুক্তরা হলেন সৈয়দপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ঋষিকেশ, সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং গুদামমালিক সাঈদ আহমেদ সানি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা