
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সিঙ্গাপুরের লাল-সাদা নিশানা ওড়ানো একটি মাদার ভ্যাসেল পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। এই বৃহৎ জলযানে প্রায় বাষ্পীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য মোট বাষ্পীয় চুল্লির জ্বালানি বহন করে আনা হয়েছে। বিশেষ ওই জলযানটির পানির নিচের নিমজ্জিত অংশের গভীরতা রয়েছে তেরো মিটারের অধিক।
গত মঙ্গলবার ঠিক সন্ধ্যার পরোপরি জলযানটি নির্ধারিত জলসীমায় নোঙর করতে সক্ষম হয়। এই মালবাহী নৌযানটির দৈর্ঘ্য প্রায় দুই শ মিটার এবং এর প্রশস্ততা প্রায় বত্রিশ মিটার। এর আগে গত চব্বিশ তারিখে এটি ভিনদেশি একটি বন্দর ছেড়ে বাংলাদেশের জলসীমার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল।
জাহাজটিতে আনা এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি উপাদান দেশের সর্ববৃহৎ তাপভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে। যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা তেরো শ বিশ মেগাওয়াট।
বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন রাতে জলযানটি নিরাপদে নোঙর করেছে। সপ্তাহের তৃতীয় দিন অর্থাৎ বুধবার থেকে খালাসের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। কৌশলগত কারণে প্রথমে অর্ধেকের বেশি উপাদান নামানো হবে। পরবর্তীতে ভেসেলটি জেটিতে ভিড়িয়ে বাকি অংশ নামানো সম্পন্ন করা হবে।
ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন যে, বর্তমান প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে সামনে এমন ভারী জলযানের নিয়মিত আগমন ঘটবে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের সামগ্রিক আর্থিক সমৃদ্ধিতে বন্দরটি অনন্য অবদান রাখতে সমর্থ হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা