
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এবং পুরোনো ওয়্যারিংয়ের কারণে নানা ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ঘটছে। এই বিপজ্জনক পরিস্থিতির বিষয়ে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত দাপ্তরিক চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতালের বৈদ্যুতিক তারগুলো দ্রুত পরিবর্তন করা গেলে শর্টসার্কিটসহ যেকোনো বড় ধরনের বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে গণপূর্ত বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, এই হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক ও পরামর্শক নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে এসি স্থাপন করেছেন।
তবে এই সমস্ত এসি স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়ায় হাসপাতালের নিজস্ব কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমোদন কিংবা নির্দিষ্ট কোনো পূর্বপরিকল্পনা অনুসরণ করা হয়নি।
ওই গণপূর্ত কর্মকর্তা আরও জানান, হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে নিয়মিত বৈদ্যুতিক কেব্ল এবং এসির পাইপ চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
যখন মূল কেব্ল চুরি হয়ে যায়, তখন সব সময় হুবহু একই মানের কেব্ল দিয়ে তা প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের কেব্ল দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে হয়, যার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি হয়।
এই ধরনের নিম্নমানের সংযোগের কারণে তার অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় এবং এর ফলে শর্টসার্কিটের আশঙ্কা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা