
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ মরিনিও সম্প্রতি ইয়ান দিয়োমান্দের পজিশন এবং দলের বিভিন্ন কৌশলগত বিষয় নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন।
ডান প্রান্তে ইয়ান দিয়োমান্দেকে খেলানোর ক্ষেত্রে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কোনো ধরনের হাত বা ভূমিকা ছিল না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন মরিনিও।
মরিনিওর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দিয়োমান্দে কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রান্তে নয়, বরং উভয় প্রান্তে সমান পারদর্শিতা দেখানোর সামর্থ্য নিয়েই রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন।
কোচ আরও যোগ করেন যে খেলোয়াড়টি মাঠের যেকোনো প্রান্তে দায়িত্ব পালন করুন না কেন, তাতে সার্বিক পরিস্থিতিতে কোনো তারতম্য বা পরিবর্তন আসে না।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ভিনিসিয়ুসের ক্ষেত্রে ডান হাত নাকি বাঁ হাত বেশি ব্যবহার করা উচিত—এমন এক কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্ন করা হলে মরিনিও রসিকতার সুরে তার জবাব দেন।
রিয়াল মাদ্রিদের এই কোচ মজা করে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন যে কোনটি ভালো আর কোনটি খারাপ হাত এবং ডান হাতকেই কি শ্রেয় মনে করা হয় কি না।
এরপর নিজেই উত্তর দিয়ে তিনি রসিকতার ছলে মন্তব্য করেন যে, এক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ ডান হাত এবং মাত্র ২০ শতাংশ বাঁ হাত ব্যবহারের পক্ষে তার মত।
সংবাদ সম্মেলনে চলতি লা লিগায় রেসিং সান্তান্দারের বিপক্ষে ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পের পাওয়া পেনাল্টি নিয়েও কথা বলেন মরিনিও।
স্প্যানিশ রেফারিদের একটি অনুষ্ঠান 'তিয়েম্পো দে রেভিসিওন'-এ ওই পেনাল্টি দেওয়া ঠিক হয়নি বলে স্বীকারোক্তি আসার পর বিষয়টি তার সামনে উত্থাপন করা হয়।
তবে মরিনিওর দৃঢ় বিশ্বাস, রেফারির ওই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফলে কোনো ধরনের প্রভাব ফেলতে পারেনি।
তিনি নিজের যুক্তির পক্ষে বলেন যে, পয়েন্টের হিসাবে বিচার করলে এই ভুল সিদ্ধান্তের কোনো নেতিবাচক বা ইতিবাচক প্রভাব পয়েন্ট তালিকায় পড়েনি।
মরিনিওর দাবি অনুযায়ী, সেদিন ম্যাচটিতে ওই পেনাল্টি না পেলেও রিয়াল মাদ্রিদ অনায়াসে তিন, চার কিংবা পাঁচ গোলের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিত।
কোচ আরও বলেন যে দলের যদি আরও বেশি গোল করার প্রয়োজন অনুভূত হতো, তবে খেলোয়াড়েরা ঠিকই মাঠে আরও গোল আদায় করে নিত।
পরিশেষে তিনি উল্লেখ করেন যে, কাঙ্ক্ষিত জয় নিশ্চিত হওয়ার পর দল আর অহেতুক বেশি গোল করার তাগিদ বা আগ্রহ দেখায়নি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা