
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নিহত জাহিদ ব্যাপারীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে এক শোকাবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের বুকফাটা কান্নায় চারপাশের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত সম্পন্ন করে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন তাঁরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত জাহিদ ব্যাপারীর সংসারে তাঁর স্ত্রী ছাড়াও তিন কন্যা এবং তাঁর মা বসবাস করতেন। মোট পাঁচ সদস্যের ওই পরিবারে একমাত্র তিনিই ছিলেন জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন।
নিহতের বড় মেয়ে ফারিহা আক্তার সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁর বাবা রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অতীতে তিনি দলের বিভিন্ন মিছিল ও সভা-সমাবেশে নিয়মিত অংশ নিতেন।
ফারিহা আরও উল্লেখ করেন, তাঁর বাবা জীবনে কখনো কোনো মানুষের কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন করেননি। এই বিষয়টি উপলব্ধি করেই এলাকার অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে গেলেও তাঁর বাবা নিজের গ্রামেই অবস্থান করছিলেন।
দৈনিক দিনমজুরি করে যা সামান্য আয় হতো, তা দিয়েই কোনোমতে তাদের সংসার চলত বলে জানান ফারিহা। কোনো ধরনের পূর্ব কারণ ছাড়াই ফরিদ তাঁর বাবাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এই বর্বরোচিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ফরিদকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করার দাবি জানান ফারিহা। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোরালো দাবিও উত্থাপন করেন তিনি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা