
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ইনিংসের শুরুর দিকে দুই উদ্বোধনী ব্যাটার সাজঘরে ফিরে গেলে ৩৪.৫ ওভারের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র দুই উইকেটে ১২৫ রান। এই প্রাথমিক বিপর্যয় থেকে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান মিডল অর্ডার ব্যাটার টেলর ও বেনেট।
দলের এই সংকটময় মুহূর্তে তারা দুজনে মিলে জুটি গড়ে প্রতিহত করেন আফগানিস্তানের বোলিং আক্রমণ। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে এই দুই ব্যাটার অত্যন্ত মূল্যবান ১৩৭ রান যোগ করে দলকে একটি সুবিধাজনক ও বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে দেন।
দলের এই ইনিংসকে গতিশীল করতে আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট চালান টেলর। তিনি মাত্র ১৬৮ বল মোকাবিলা করে ১৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে একটি দুর্দান্ত ও নান্দনিক ১৩১ রানের ইনিংস উপহার দেন।
শেষ পর্যন্ত আফগান বোলার হাশমাতুল্লাহ শাহীদির বলে ক্যাচ দিয়ে নিজের দীর্ঘ ইনিংসটির সমাপ্তি টানেন টেলর এবং সাজঘরে ফিরে যান।
এটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে টেলরের ব্যক্তিগত সপ্তম সেঞ্চুরি। কিন্তু তার এই বিদায়ে দলীয় ইনিংসে কিছুটা সাময়িক ছন্দপতন ও ধস নামে।
দলীয় রান যখন তিন উইকেটে ২৬২ ছিল, তা দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে পাঁচ উইকেটে ২৮৭ রানে গিয়ে ঠেকে।
ইনিংসের এই কঠিন সময়েও অন্যপ্রান্ত অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে আগলে রেখেছিলেন বেনেট। তিনি ব্যক্তিগত ৭১ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে প্রথম দিনের খেলার সমাপ্তি টানেন।
দিনের শেষভাগে ষষ্ঠ উইকেটে ওয়েসলি মাধেভেরেঁকে সাথে নিয়ে ইতিমধ্যে অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানের একটি জুটি গড়ে তুলেছেন বেনেট।
তার সঙ্গী ব্যাটার ওয়েসলি মাধেভেরেঁও দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ২৯ রান করে উইকেটে অপরাজিত রয়েছেন।
আফগানিস্তানের বোলারদের আক্রমণ সামলে জিম্বাবুয়ে যখন এগোচ্ছে, তখন সফল বোলারদের মধ্যে জিয়া-উর-রেহমান সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেছেন।
এছাড়া আফগান বোলিং লাইনআপে মোহাম্মদ সেলিম, কায়েস আহমেদ এবং হাশমাতুল্লাহ শাহীদি প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা