
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আসন্ন বছরের তৃতীয় দিনে অর্থাৎ ৩ জানুয়ারি নতুন মার্কিন কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক মেয়াদকাল শুরু হতে চলেছে। এই নির্ধারিত সময়েই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয়ী নতুন জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বুঝে নেবেন।
তবে এই নতুন সেশনের কার্যক্রম শুরুর আগেই বর্তমান কার্যরত সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদের যৌথ উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করিয়ে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না।
আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের ওই নির্ধারিত তারিখটি অতিক্রম করার পর নতুন কোনো আইন প্রণয়ন, জাতীয় বাজেট অনুমোদন, সরকারি খাতের বিভিন্ন তহবিলে অর্থ বরাদ্দ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে উচ্চপর্যায়ের নিয়োগ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়ায় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নানামুখী জটিলতা ও বাধার মুখে পড়তে হতে পারে।
তাছাড়া বিগত দিনগুলোতে নেওয়া বিভিন্ন প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত নীতিগত সিদ্ধান্তের জেরে বর্তমান প্রশাসনের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে এবং সে বিষয়ে যথাযথ তদন্ত পরিচালনা করার আইনি ক্ষমতা অর্জন করবে প্রতিনিধি পরিষদ।
সম্পন্ন হওয়া এই মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মূল অন্তর্নিহিত বার্তা বা শিক্ষা হলো, যখন সাধারণ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যায়, তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার তারাই নিজেদের হাতে তুলে নেয়।
আর এই বাস্তবতার আলোকেই যেকোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীন ও নিরপেক্ষ হওয়া অত্যন্ত জরুরি একটি পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সর্বোপরি, এবারের এই নির্বাচনী ফলাফল মার্কিন রাষ্ট্রক্ষমতা ও প্রশাসনকে ভবিষ্যতে কতটা সংযত রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে, তা নির্ধারণ করার ভার সময়ের ওপরই পুরোপুরি নির্ভর করছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা