
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পূজার ছুটির পূর্বে স্নাতকোত্তর সমাপনী বর্ষের একটি বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়সীমা অতিক্রম করে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত মিলনায়তন ব্যবহারের অনুমতি লঙ্ঘিত হয়েছিল। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দুই শিক্ষার্থীর আবাসিক হলের আসন বাতিল করার কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন অধ্যক্ষ মেহেরুন্নেছা। পরবর্তীতে শাস্তিপ্রাপ্ত ঐ শিক্ষার্থীরা ক্ষমা প্রার্থনার জন্য উপস্থিত হলে, তাদের হলের আসন ফিরিয়ে দেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে একটি রাতের এসি ও বিদ্যুৎ খরচ বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড ধার্য করা হয়।
এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার তীব্র প্রতিক্রিয়া হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অচলাবস্থা নিরসনে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে একটি বিশাল পুলিশ বাহিনী তাকে উদ্ধার করার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করলে সার্বিক পরিস্থিতি চূড়ান্তভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুযায়ী, সেই অভিযানে অংশ নেওয়া পুরুষ পুলিশ সদস্যরা ছাত্রীদের ওপর চড়াও হয়ে লাঠিচার্জ করেন, তাদের ব্যক্তিগত মুঠোফোন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন এবং শারীরিক লাঞ্ছনার অংশ হিসেবে চুল ও হিজাবে ধরে টানাটানি করেন।
ছাত্রীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত এই দমনপীড়ন ও বলপ্রয়োগের অভিযোগের বিষয়ে আইনগত অবস্থান স্পষ্ট করে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিল হোসেন সব ধরনের বলপ্রয়োগের ঘটনা সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা