
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় পিএইচডি করার একপর্যায়ে পড়াশোনা ছেড়ে পৃথিবী দেখতে বেরিয়ে পড়েছিলেন। ভ্রমণের ভিডিও তৈরি করে ‘নাদির অন দ্য গো’ নামে ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন এই কনটেন্ট নির্মাতা। সম্প্রতি মার্কিন ইউটিউবার ও ভ্রমণবিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাতা ড্রু বিনস্কির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তাঁর তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র নেটফ্লিক্সে স্থান পেয়েছে। তাঁর এই বর্ণিল ভ্রমণজীবন ও কাজের নানা দিক নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হাসান ইমাম।
বর্তমানে সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অবস্থান করছেন এই ভ্রমণসংগঠক। মঙ্গোলিয়া থেকে সেখানে পৌঁছানোর প্রায় চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে এবং আর মাত্র দু–এক সপ্তাহ পর সেখান থেকে মিসরের উদ্দেশে রওনা হবেন। সার্বিক পরিস্থিতি বেশ ভালো কাটছে বলেই জানান তিনি। তবে গত বছর থেকে তিনি ভিডিও তৈরির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন। আগের মতো এক স্থানে গিয়ে একসঙ্গে ১০টি ভিডিও না বানিয়ে এখন একটি ভিডিওর পেছনে বেশি সময় দিয়ে তা ভালোভাবে নির্মাণের চেষ্টা করছেন।
মাঝেমধ্যে তিনি এক ঘণ্টা বা আধা ঘণ্টার বড় প্রামাণ্যচিত্রও তৈরি করছেন। উদাহরণস্বরূপ, কম্বোডিয়ায় গিয়ে দেশটির গৃহযুদ্ধ নিয়ে এবং গত বছর তুর্কমেনিস্তানে ধারণ করা ভিডিও এবার মুক্তি দিয়েছেন। প্রতিটি প্রামাণ্যচিত্রেই বিদেশি দর্শকদের কাছ থেকে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন তিনি, যা তাঁকে এ ধরনের কাজে আরও বেশি মনোযোগী করে তুলেছে। বর্তমানে তাঁর মোট ভিডিওর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও তা প্রায় ৮০টির কাছাকাছি হবে বলে ধারণা করা যায়।
২০২০ সালে তাঁর প্রথম যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছিল, সেটির কথা আলাদাভাবে বলতে হয়। ওই প্রথম ভাইরাল হওয়া ভিডিওর পর থেকে প্রায় প্রতিটি ভিডিওতেই দারুণ সাড়া পাচ্ছেন তিনি। প্রথম ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার ঠিক এক মাস পর হাওয়াইতে সার্ফিং করার একটি ভ্লগ আপলোড করেছিলেন, যা খুব দ্রুত দর্শকের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এরপর থেকে তাঁর প্রতি বছরই তিন থেকে চারটি করে ভিডিও ভাইরাল হতে দেখা গেছে।
কুয়েতের ভিডিওটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে গরম শহরে ধারণ করা ওই ভিডিওটি আপলোড করার পরপরই তাঁর মনে হয়েছিল এটি ভাইরাল হতে যাচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত তা-ই হয়েছিল। তাঁর প্রতিটি ভ্রমণ ভিডিওতেই দর্শকরা প্রচুর সাড়া দিয়ে থাকেন। কোথাও ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সময় সেখানকার বিস্তারিত তথ্য কি আগেই জেনে নেন, নাকি সেখানে পৌঁছানোর পর জানার চেষ্টা করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কোথাও যাওয়ার আগে ওই অঞ্চল সম্পর্কে বিভিন্ন বইপত্র পড়ে একটি স্ক্রিপ্ট তৈরি করে নেন। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর পরও এমন অনেক নতুন তথ্য তাঁর জানা হয়, যা হয়তো কোনো বইয়ে পাওয়া যায় না।
আগে ভিডিও ধারণ থেকে শুরু করে সম্পাদনার সমস্ত কাজ একাই সামলাতেন তিনি। তবে বর্তমানে তাঁর একটি নিজস্ব কাজের টিম রয়েছে। ভিডিওর পরিকল্পনা ও চিত্রনাট্য বা স্ক্রিপ্ট তিনি নিজেই তৈরি করেন, তবে চিত্রগ্রহণ বা ফিল্মিংয়ের সময় সাধারণত অন্য কাউকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। ভিডিও সম্পাদনা বা এডিটিংয়ের কাজে তাঁকে সাহায্য করেন বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন দক্ষ কর্মী। তাঁদের মধ্যে তিনজন নিয়মিত বা ফুলটাইম কাজ করছেন এবং অস্থায়ীভাবে আরও অনেক কর্মী কাজের প্রয়োজনে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকেন।
ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটক এবং ইউটিউবের মতো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপযোগী নানা ধরনের ভিডিও সম্পাদনা করতে হয়। কাজের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় তাঁর টিমের সদস্যরা এসব বিষয় নিপুণভাবে সামলান। তবে কেবল সিনেমাটিক এডিটিংয়ের কাজগুলো তিনি নিজে করার চেষ্টা করেন। সাম্প্রতিক সময়ে নেটফ্লিক্সে প্রকাশিত ড্রু বিনস্কির একটি ভিডিওতে ঢাকার তীব্র যানজটে তাঁকে দেখা গেছে।
ড্রু বিনস্কির সঙ্গে ওই ভিডিওটি তাঁরা সম্পূর্ণ যৌথ উদ্যোগে তৈরি করেছিলেন। ভিডিওটি কেবল নেটফ্লিক্সের জন্যই নির্মাণ করা হয়নি, বরং তারা সেটি ইউটিউব প্ল্যাটফর্মেও উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। ওই ভিডিওটির জন্য অনেক আগে থেকেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে দুজনে মিলে স্ক্রিপ্ট তৈরি করেছিলেন। চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনার পুরো কাজটি ড্রু নিজে করেছিলেন, তবে কোথায় ভ্রমণ করবেন আর কী কী করবেন—তার অনেকটাই তাঁর ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন ড্রু।
ড্রুর সঙ্গে তাঁর প্রথম যোগাযোগ হয়েছিল জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে। এরপর তাঁরা টানা তিন দিন ধরে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ভিডিওর জন্য বিভিন্ন দৃশ্যের শুট করেছিলেন। সাধারণ মানুষের ভিড় সামলানোর সামান্য ঝক্কি ছাড়া পুরো অভিজ্ঞতাটি বেশ ভালো ছিল। বর্তমান সময়ে ঢাকায় বাইরে বের হতে হলে তাঁকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হয় এবং ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয়। অবশ্য তাঁদের সঙ্গে শুটিং টিমের আরও অন্যান্য সদস্য উপস্থিত থাকায় খুব বেশি বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই তাঁকে বিভিন্ন দেশের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে দেখা যায়। বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে ভ্রমণের সময় তাঁকে বাড়তি কোনো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, তাঁর বছরের অর্ধেক সময়ই কেটে যায় বিভিন্ন দেশের ভিসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে করতে। ঠিক এই মুহূর্তেও একটি সাক্ষাৎকারের ফাঁকে তিনি তিনটি ভিন্ন দূতাবাসের সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করে চলেছেন এবং জানতে চাচ্ছেন কবে নাগাদ ভিসা হাতে পাবেন।
একটি নির্দিষ্ট স্থানে ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন করে ইতিমধ্যেই ১৫ দিন ধরে অপেক্ষা করছেন। সেই ভিসা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি চাইলেও অন্য কোনো দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে পারছেন না। বাংলাদেশি পাসপোর্টের মাধ্যমে সব মিলিয়ে প্রায় পঞ্চাশটির মতো দেশের ভিসা খুব একটা বড় ধরনের ঝামেলা ছাড়াই পাওয়া সম্ভব। কিন্তু যেসব দেশে বাংলাদেশিরা সচরাচর খুব একটা ভ্রমণ করেন না, সেসব দেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো থেকে ঠিকমতো সাড়া পাওয়া যায় না।
অনেক দেশে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভিসা পাওয়ার পরও বিমানবন্দর বা ইমিগ্রেশনে গিয়ে বাড়তি বাদানুবাদ ও ঝামেলার শিকার হতে হয়। ইমিগ্রেশনের মূল লাইন থেকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে তাঁকে নানা ধরনের জেরা ও প্রশ্ন করা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁর পূর্বের সমস্ত ব্যাকগ্রাউন্ড বা অতীত ইতিহাস ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করার পরেই কেবল তাঁকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।
ভ্রমণের সময় কোথাও গিয়ে কোনো বিপদে পড়লে তিনি কী করেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে জানান, তিনি সাধারণত এমন সাবধানী পন্থায় চলাচল করার চেষ্টা করেন যাতে কোনো ধরনের বিপদের মুখোমুখি না হতে হয়। গত পাঁচ বছরের মধ্যে তিনি এমন কোনো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে যাননি যেখানে গেলে বিপদের আশঙ্কা থাকতে পারে। অবশ্য অতীতে আফ্রিকাসহ মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলের মতো কিছু কিছু স্থানে তিনি ভ্রমণ করেছেন যেখানে নিজস্ব নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট ভয়ের কারণ ছিল।
ওই সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় তিনি কখনো দামি বড় ক্যামেরা নিয়ে প্রকাশ্যে বাইরে বের হননি। ক্ষেত্রবিশেষে স্থানীয় কোনো নির্ভরযোগ্য ট্যুর কোম্পানির সহায়তায় সিকিউরিটি বা নিরাপত্তাকর্মী সঙ্গে নিয়ে গন্তব্যে ঘুরেছেন। থাকার জন্য সবসময় এমন সব হোটেল বেছে নিয়েছেন যেগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত ও উন্নত।
পৃথিবীর এমন কোনো নির্দিষ্ট জায়গার কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, যেখানে তিনি কস্মিনকালেও কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের দেখা পাওয়ার আশা করেননি, অথচ সেখানে গিয়েও বাংলাদেশির সাক্ষাৎ পেয়েছেন। পূর্ব আফ্রিকার চারটি দেশ ভ্রমণের এক ট্রিপে গিয়ে তিনি সেশেলস নামক একটি দ্বীপরাষ্ট্রে উপস্থিত হন। সেখানে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই তাঁর সাধের ড্রোনটি ক্র্যাশ করে নষ্ট হয়ে যায়।
যে দেশে সাধারণ মানুষের মোট জনসংখ্যাই মাত্র এক লাখ, সেখানে আকস্মিকভাবে আরেকটি ড্রোন জোগাড় করার কোনো উপায় ছিল না। অনলাইনে নতুন ড্রোন অর্ডার করলে হাতে পৌঁছাতে অন্তত সপ্তাহ দুয়েক সময় লেগে যাবে, অথচ তাঁর হাতে মোটে তিন দিন সময় আছে কারণ এর পরই তাঁকে মাদাগাস্কারের উদ্দেশে রওনা হতে হবে। তাই কোনো রকম আশার বশবর্তী না হয়ে তিনি নিছক পরীক্ষামূলকভাবে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করেন।
এর পরই ঘটে যায় এক অদ্ভুত ও চমকপ্রদ ঘটনা। তিনি খুঁজে পান এক প্রবাসীর দেখা, যিনি পেশায় একজন রিক্রিয়েশনাল ড্রোন পাইলট ছিলেন। সৌভাগ্যবশত তাঁর কাছ থেকেই ড্রোনটি কিনে নিতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে, ওই দ্বীপরাষ্ট্রের মোট এক লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজারই বাংলাদেশি নাগরিক।
ভ্রমণে গিয়ে কখনো কোনো অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এক জার্মান বন্ধুর সঙ্গে মঙ্গোলিয়া ভ্রমণের স্মৃতিচারণা করেন। সেখানে তাঁরা মঙ্গোলীয় একটি আদিবাসী পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন বসবাস করেছিলেন। বিশাল এক ফাঁকা মাঠের মাঝখানে ছিল তাদের সেই বাড়ি এবং তাদের পরিবারে মোট ৪০টি ঘোড়া ছিল।
সেখানকার ছোট শিশুরা এর আগে জীবনেও কখনো কোনো বিদেশি মানুষকে চাক্ষুষ দেখেনি। ভিনদেশি মানুষদের দেখে সেই শিশুরা ভীষণভাবে বিস্মিত হয়েছিল। তাঁদের গায়ের চামড়ার রং কিংবা চেহারা-সুরতের কোনো কিছুর সঙ্গেই নিজেদের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছিল না তারা।
মাঝপথে পিএইচডি পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে পৃথিবী দেখতে বেরিয়ে পড়া এই তরুণের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি কি কখনো একাডেমিক পড়াশোনায় পুনরায় ফিরে যাবেন কি না। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তাঁকে সম্ভবত আর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় ফিরে যেতে হবে না। কারণ বর্তমানে তিনি যা করছেন, তা তিনি ভীষণভাবে উপভোগ করেন।
একাডেমিক পড়াশোনা করাটাকেও তিনি অতীতে উপভোগ করতেন ঠিকই, তবে তা বর্তমান কাজের মতো এতখানি আনন্দদায়ক ও রোমাঞ্চকর ছিল না। জীবনের অন্য কোনো কিছুতেই তিনি এমন গভীর তৃপ্তি ও পরিপূর্ণতা অনুভব করেননি। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস, তিনি এখন যা করছেন তার একটি সুনির্দিষ্ট তাৎপর্য ও সার্থকতা রয়েছে, যা তিনি আগের কোনো কাজের মাঝেই খুঁজে পাননি।
তাঁর ঘুরে দেখা দেশগুলোর মধ্যে সেরা ১০টি জায়গার একটি তালিকা বা রেটিং করার অনুরোধ করা হলে তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট করে প্রিয় ১০টি জায়গা আলাদা করা বেশ কঠিন। তবে এই মুহূর্তে তাঁর মনের কোণে ভেসে ওঠা দেশগুলোর মধ্য থেকে পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকবে ব্রাজিল, মেক্সিকো, তুরস্ক, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, গুয়াতেমালা, ইতালি, সার্বিয়া, চীন এবং শ্রীলঙ্কা।
আগামী ২০৩০ সালে নিজেকে ঠিক কোথায় দেখতে চান—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগামী এক দশক ধরে তিনি ঠিক এভাবেই নিয়মিত বিশ্বভ্রমণ করে যেতে চান। এর পাশাপাশি তিনি তাঁর কাজের টিমটিকে ভবিষ্যতে আরও কিছুটা বড় করতে চান এবং ভবিষ্যতে আরও বড় বাজেটের আকর্ষণীয় প্রোডাকশন বা প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের প্রবল ইচ্ছা রয়েছে তাঁর।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।