
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মিরপুর টেস্টের উভয় ইনিংসে দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তাওহীদ হৃদয়। এমন পারফরম্যান্সের পর লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর সামর্থ্য নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সিলেট টেস্টে দুর্দান্ত একটি অর্ধশতক হাঁকিয়ে সকল সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন এই তরুণ ব্যাটার।
স্বীয় স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তিনি ব্যাট চালালেও সামগ্রিকভাবে দলের পরিস্থিতি বেশ শোচনীয়। তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হতেই সাজঘরে হাফ ডজন ব্যাটার ফিরে যাওয়ায় গভীর সঙ্কটে পড়েছে স্বাগতিক দল। এই চরম বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধারের একক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হৃদয়।
তিন উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে ম্যাচের তৃতীয় দিনে মাঠে নামে বাংলাদেশ। তখন ক্রিজে ছিলেন ২৯ রান করা হৃদয় এবং ১৯ রান নিয়ে খেলা শুরু করা মুশফিকুর রহিম। তাদের ব্যাটে ভর করে দিনের শুরুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছিল স্বাগতিকদের।
কিন্তু সাবলীলভাবে এগোলেও হঠাৎ পথ হারান অভিজ্ঞ মুশফিক। জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে শর্ট কাভার অঞ্চলে ব্র্যান্ডন কিংয়ের তালুবন্দী হন তিনি। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে তাঁর বিদায়ে হৃদয়ের সঙ্গে গড়া ৭৩ রানের মূল্যবান জুটিটি ভেঙে যায়।
মাঠে নেমেই পরপর দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বড় কিছু করার আভাস দিয়েছিলেন লিটন দাস। তবে ওয়ারিক্যানের দ্বিতীয় শিকার বনে খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। দলের রান তখন ১৩৮ এ পৌঁছালে পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটে।
এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের স্কোর বাড়ানোর পণ করেন হৃদয়। কিন্তু রোস্টন চেজের বলে জাস্টিন গ্রিভসের বিশ্বমানের একটি ক্যাচে মিরাজ বিদায় নিলে ৪১ রানের এই জুটিটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে উইকেটে হৃদয়ের নতুন সহযোগী হিসেবে লড়ছেন হাসান। লাল বলের ক্রিকেটে জীবনের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করার পর এবার শতক অর্চনার হাতছানি দেখছেন এই প্রতিভাবান ব্যাটার।
সূত্র: আজকের পত্রিকা