
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আগামী ছাব্বিশে নভেম্বর থেকে রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফায়ার, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো। এই আয়োজনটি শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে আধুনিক সব প্রযুক্তি ও কৌশলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
দেশের চলমান শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত প্রসারের সঙ্গে নিরাপত্তার প্রশ্নটি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত বলে মন্তব্য করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে কেবল তৈরি পোশাক খাতের পরিধিই প্রসারিত হচ্ছে না, বরং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিকস, তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়া ও পাদুকা শিল্প, প্লাস্টিক পণ্য এবং খেলনা উৎপাদনের মতো খাতগুলোতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে।
এই সমস্ত বহুমুখী খাতের টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী অগ্রগতি বজায় রাখতে আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, সার্বিক শিল্প নিরাপত্তা এবং উন্নত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল সুরক্ষাকৌশল গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিরাপত্তার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হলে কলকারখানা, সাধারণ শ্রমিক সমাজ, বৈদেশিক ও দেশীয় বিনিয়োগ এবং মূল্যবান সম্পদের সুরক্ষা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
নিরাপদ পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে একটি লাভজনক ও নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের গন্তব্যস্থল হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার দারুণ এক সুযোগ তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক এই প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো উৎপাদনমুখী খাতগুলোকে আরও বেশি সুরক্ষিত এবং ঝুকিমুক্ত করা।
উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান দেশের সার্বিক অগ্নিনিরাপত্তার মানোন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি এ সময় সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা