
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশি অভিযানের সময় আটককৃতদের কাছ থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য এবং নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে। তল্লাশি চালানোর কালীন সময়ে রুবেল রানা নামের এক ব্যক্তির পরিহিত পোশাকের ডান দিকের পকেট থেকে মোট ১২টি ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। একইসঙ্গে তাঁর বাম দিকের পকেট তল্লাশি করে ১৪ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয় যা আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জব্দ করেন।
অভিযানের আরেকটি পর্যায়ে নারী পুলিশ সদস্যের সক্রিয় সহায়তায় বাবলি নামের এক নারীর দেহ তল্লাশি সম্পন্ন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় তাঁর মাথার চুলে পরিপাটি করে বাঁধা খোঁপার ভেতরে কাঁকড়া ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখা একটি নীল রঙের জিপারযুক্ত পলিথিন প্যাকেট খুঁজে পাওয়া যায়। ওই বিশেষ প্যাকেটটির ভেতর থেকে আরও ১০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেন দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারে অভিযুক্ত রুবেল রানার পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে রুবেল রানার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অতীতেও একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
পুলিশের অপরাধ তথ্য ব্যবস্থা তথা সিডিএমএস থেকে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে দুটি সুনির্দিষ্ট মামলার সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে প্রথম মামলাটি ২০২২ সালে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় রুজু করা হয়েছিল এবং দ্বিতীয় মামলাটি ২০২৪ সালে বালিয়াডাঙ্গী থানায় নথিভুক্ত করা হয়।
যাচাই-বাছাইয়ের পর জানা গেছে যে ২০২২ সালের সেই পুরনো মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৪ সালে দায়েরকৃত অপর মামলাটিতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে যথাযথ অভিযোগপত্র দাখিল করেছে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা।
মামলার আনুষ্ঠানিক এজাহার নথিতে অভিযুক্ত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বমোট ১১টি মামলা বিচারাধীন বা রেকর্ডভুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই ১১টি মামলার মধ্যে বাকি মামলাগুলোর বিস্তারিত কোনো বিবরণ বা তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা