
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় সম্পত্তির মালিকানা ও দখল নিয়ে চলা বিরোধের জেরে শফিকুল ইসলাম নামের এক জামায়াত নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্তদের একজন টুটুল আইচ অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর ভাষ্যমতে, তাঁদের স্থানীয় শীতলা মন্দিরের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত একটি জমি গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে শফিকুল দখল করে রেখেছেন।
টুটুল আইচ আরও উল্লেখ করেন যে, জমি নিয়ে শফিকুলের সঙ্গে আরও বেশ কয়েক ব্যক্তির বিরোধ চলমান রয়েছে। তবে আজকের এই দুপুরের হামলার ঘটনার বিষয়ে তিনি নিজে সম্পূর্ণ অজ্ঞ বলে দাবি করেছেন।
ইমরান খন্দকার ও শফিকুল ইসলামের মধ্যে একটি সুপারি বাগান নিয়ে দ্বন্দ্বের কথা শুনেছেন বলে জানান টুটুল। এমনকি এই সুপারি বাগান নিয়ে তাঁদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির মতো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে বলে তাঁর কানে এসেছে।
এদিকে অপর অভিযুক্ত ইমরান খন্দকারও শফিকুলের ওপর হামলার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের একটি পুকুরসহ ২৭ শতাংশ জমির ওই সুপারি বাগান তিন বছরের চুক্তিতে লিজ বা বন্দোবস্ত নিয়েছেন।
ইমরান জানান, নির্ধারিত দিনে বাগান থেকে সুপারি পাড়তে গেলে শফিকুল ও তাঁর ভাই সিদ্দিকসহ আরও কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় তাঁরা জোর করে সুপারিগুলো নিয়ে যান এবং এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করায় তাঁরা হামলা চালান।
শফিকুলের লোকজনের হামলার মুখে নিজেদের আত্মরক্ষা করতেই তাঁরা প্রতিপক্ষের গায়ে দু-চারটি কিল-ঘুষি চালিয়েছেন বলে দাবি করেন ইমরান খন্দকার।
সূত্র: আজকের পত্রিকা