
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পুকুর লিজ দেওয়া এবং মাছ শিকারের টিকিট বিক্রির অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংস্থাটির বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এই অনিয়মের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছেন শ্রমিক সংগঠনের নেতা মো. আলমগীর হোসেন ও এআরডি বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মুকুল।
অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে শ্রমিকনেতা মো. আলমগীর হোসেন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের জবাব দেন। তিনি দাবি করেন, পুকুরের উৎপাদিত মাছ বিক্রির যে অর্থ আসে, তা দিয়ে তারা মূলত নিজেদের ক্লাব পরিচালনা করে থাকেন।
আলমগীর হোসেন আরও দাবি করেন যে, তাঁরা নিজেদের পকেট থেকে অর্থ ব্যয় করেই ওই জলাশয়ে মাছ চাষ করেছেন। ২০০৯ সালে মাছ বিক্রির একটি ঘটনার জেরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ১০ জন শ্রমিক চাকরি হারিয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চাকরি হারানোর পর থেকে সেই পরিবারগুলোর সদস্যরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করেছেন এবং প্রায় ১৭ বছর ধরে তারা অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটিয়েছেন। মাছ বিক্রির সেই লব্ধ অর্থ ওই পরিবারগুলোর মাঝে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া ওই অর্থের একটি অংশ দিয়ে ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম যেমন ক্যারম বোর্ডসহ ক্লাবের অন্যান্য বিনোদনমূলক সামগ্রী কেনা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে তাঁদের মানহানি করার জন্য এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন আলমগীর।
সূত্র: আজকের পত্রিকা