
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
এই বিশেষ সুযোগের সুবিধা হিসেবে সাদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওফুক করার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ মেটানোর জন্য প্রতিমাসে নিয়মিত সম্মানী প্রদান করা হবে। বিশ্বজুড়ে সাদের পঠিত পলিমার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি তাদের উন্নত গবেষণার জন্য অত্যন্ত সুনাম অর্জন করেছে।
বিভিন্ন নামী বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই অ্যাকাডেমিক বিভাগের নিবিড় ও জোরালো যোগাযোগ রয়েছে। এই সুবাদে শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি-স্পনসরড গবেষণা কাজ, বিভিন্ন যৌথ প্রকল্প এবং ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে সরাসরি শিল্পক্ষেত্রের বাস্তব সংকট নিয়ে কাজ করার চমৎকার সুযোগ লাভ করেন।
সাদের সুনির্দিষ্ট অভিমত অনুযায়ী, বিদেশে সম্পূর্ণ অর্থায়নের মাধ্যমে পিএইচডি করার সুযোগ নিশ্চিত করতে কেবল ভালো সিজিপিএ বা উচ্চ আইইএলটিএস স্কোর অর্জন করা কখনোই যথেষ্ট নয়।
এর পাশাপাশি প্রার্থীর ঝুলিতে অবশ্যই পর্যাপ্ত গবেষণার অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপত্র, অত্যন্ত শক্তিশালী একটি স্টেটমেন্ট অব পারপাস বা এসওপি এবং বেশ কিছু ভালো রেকমেন্ডেশন লেটার থাকা আবশ্যক।
যাঁদের অধীনে ভবিষ্যতে গবেষণা করার তীব্র আগ্রহ থাকে, সেই অধ্যাপকদের গবেষণার সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র এবং কাজ সম্পর্কে আবেদন করার আগেই স্পষ্ট ধারণা নিয়ে রাখা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
তাঁর নির্দিষ্ট এই বিভাগে ভর্তির আবেদন করতে হলে মূলত অফিশিয়াল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, তিনটি রেকমেন্ডেশন লেটার, স্টেটমেন্ট অব পারপাস এবং আইইএলটিএস কিংবা টোফেল পরীক্ষার স্কোর জমা দিতে হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রচলিত সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পরপরই সরাসরি পিএইচডির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীর ন্যূনতম জিপিএ ২.৭৫ এবং আইইএলটিএসে অন্তত ৬.০ স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক।
সূত্র: আজকের পত্রিকা