
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বিদেশি শিল্পীর কনসার্ট বাতিল হওয়ার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভারতীয় গায়ক লাকি আলীর আসন্ন পরিবেশনা নিয়েও নানা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেক অনুরাগী।
এই পরিস্থিতিতে কনসার্টটির আয়োজন নিয়ে চলা জল্পনা ও উৎকণ্ঠার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হলে, অনুষ্ঠানটির আয়োজক প্রতিষ্ঠান ইকিউবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সংগীতানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক অনুমতির জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিবাচক সবুজসংকেত পাওয়ার পরই মূলত তারা অনলাইনে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছেন বলে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ভাষ্য।
শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা তারা লাভ করবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইকিউবের প্রতিনিধিরা।
উপস্থিত শ্রোতা ও দর্শকদের অত্যন্ত চমৎকার ও স্মরণীয় একটি কনসার্ট উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, নব্বইয়ের দশকের ইন্ডি-পপ ঘরানা এবং বলিউডের মেলোডিয়াস গানে সম্পূর্ণ নিজস্ব ও এক অনন্য স্বতন্ত্র ধারা গড়ে তুলেছিলেন প্রখ্যাত এই সংগীতশিল্পী।
সবকিছু ছাপিয়ে ১৯৯৬ সালে বাজারে আসে তাঁর প্রথম একক বা মৌলিক অ্যালবাম যার শিরোনাম ছিল ‘সুনো’।
এই অ্যালবামের অন্তর্ভুক্ত কালজয়ী ‘ও সানাম’ গানটি প্রকাশের পরপরই তাঁকে সংগীতজগতে রাতারাতি তারকাখ্যাতির শিখরে পৌঁছে দেয়।
পাশাপাশি চলচ্চিত্রের নেপথ্য সংগীত বা প্লেব্যাকেও তিনি ছিলেন দারুণভাবে সফল এবং ভক্তদের উপহার দিয়েছেন বহু স্মরণীয় গান।
তাঁর গাওয়া জনপ্রিয় ট্র্যাকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘এক পল কা জিনা’, ‘না তুম জানো না হাম’, ‘আ ভি জা’ এবং ‘জানে ক্যায়া ঢুন্ডতা হ্যায়’।
এছাড়াও শ্রোতামহলে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছিল তাঁর গাওয়া ‘আহিস্তা’ ও ‘সফরনামা’র মতো জনপ্রিয় সব সংগীতকর্ম।
তবে দীর্ঘ সময় কাজ করার পর ২০১৫ সালের পর থেকে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক থেকে ধীরে ধীরে নিজেদের সরিয়ে নেন এই শিল্পী।
চলচ্চিত্রের গান থেকে সরে এসে পরবর্তীতে তিনি সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন বা ইনডিপেন্ডেন্ট সংগীতে নিজের মনোযোগ নিবদ্ধ করেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা