
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে 'দিমাগি নকশাল' বা বুদ্ধিবৃত্তিক নকশাল পরিভাষাটি নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত মূলত একটি বিশেষ ঘটনার পরপরই ঘটেছিল। এক সময় ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলটি মাওবাদী ও নকশালপন্থী আন্দোলনের প্রধান ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।
রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের কঠোর সামরিক অভিযান, ব্যাপক তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান এবং সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে ওই এলাকার সার্বিক দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
বিগত দিনের ভয়াবহ সহিংসতার স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান যে, ২০১০ সালে সংলগ্ন দন্তেওয়াড়ায় সংঘটিত এক ভয়াবহ নকশাল হামলায় মোট ৬৬ জন সিআরপিএফ জওয়ান এবং ৪১ জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছিলেন।
সরকারের তরফ থেকে জানানো হয় যে, ২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সময়কালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি বছর মাওবাদী নিহতের সংখ্যার চেয়ে কর্তব্যরত শহিদ নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি।
তবে বর্তমান কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট নীতি এবং বলিষ্ঠ রাজনৈতিক সদিচ্ছার কারণেই বর্তমান সময়ে দেশের সিআরপিএফ জওয়ানদের আর এভাবে অতিকালীন জীবন বিসর্জন দিতে হচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কেবলমাত্র সশস্ত্র বিদ্রোহ বা সহিংসতার অবসান ঘটালেই সব শেষ হয়ে যায় না, বরং এটি এ দেশের শতবর্ষের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক নতুন ঐতিহাসিক অভিযাত্রার মাত্র সূচনা।
সূত্র: আজকের পত্রিকা