
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
প্রত্যক্ষদর্শী মমিনুর ইসলামের বর্ণনা অনুযায়ী, সে সময় ঘটনাস্থলেই অবস্থান করছিলেন গোলাম আহমেদ। আকস্মিক একটি সচল বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের তার ছিঁড়ে সোজা তাঁর পিঠের ওপর এসে আছড়ে পড়ে।
বিদ্যুতের তার পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারপাশের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত দূরে সরে যান। জীবন বাঁচাতে তখন গোলাম আহমেদ আর্তনাদ করে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকেন।
মমিনুরের ভাষ্যমতে, ওই পরিস্থিতিতে কেউ তাৎক্ষণিকভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি। পরবর্তীতে একজন অটোরিকশাচালক সাহস করে সেখানে আসেন এবং একটি বাঁশের সাহায্যে তারটি সরিয়ে তাঁকে দূরে ঠেলে দেন।
তার সরিয়ে নেওয়ার পর মমিনুরসহ আরও কয়েকজন মিলে তাঁর শরীরে মালিশ বা ম্যাসাজ করা শুরু করেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে পুলিশের কিছু সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় আলহেরা হাসপাতালে নিয়ে যান।
আলহেরা হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় তাঁকে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত করা হয়।
পরবর্তীতে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা