
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ইরানের পরমাণু ও সামরিক স্থাপনার বিরুদ্ধে তেল আবিবের সামরিক লক্ষ্য এখনো অর্জন করা যায়নি বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। পাশাপাশি, গত কিছুদিন ধরেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তেহরানের ওপর নতুন করে বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানোর হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘমেয়াদি ও সংবেদনশীল সংঘাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত তেল আবিবকে পরিপূর্ণ সমর্থন দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
ইসরায়েলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর শুক্রবারের এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, গত ২৭ অক্টোবরের নির্ধারিত নির্বাচনের ঠিক আগে ইরানের ভূখণ্ডে একটি ঝটিকা সামরিক অভিযান পরিচালনার গোপন প্রস্তুতি নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ।
কিন্তু অত্যন্ত গোপনীয় ওই সামরিক পরিকল্পনার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের গোত্রগোচরে চলে আসে। মার্কিন প্রশাসন এই বিপজ্জনক উদ্যোগের কথা জানতে পেরেই তৎক্ষণাৎ কড়া কূটনৈতিক পদক্ষেপে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন আটকে দেয়।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন ও ইতিহাসের অন্যতম বড় হামলার মুখোমুখি হয় ইসরায়েল। এর পর থেকেই গাজা উপত্যকা থেকে শুরু করে লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক ফ্রন্টে একই সঙ্গে ভয়াবহ সামরিক আগ্রাসন ও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে তেল আবিব।
শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের নাটকীয় পতন ও ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সুযোগ নেয় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। গোলান মালভূমির বাইরে সিরীয় ভূখণ্ডের আরও কৌশলগত কিছু অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা।
সূত্র: আজকের পত্রিকা