
নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনার আলোকেই সাম্প্রতিক এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটির সফল আয়োজন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী। বর্তমান দায়িত্বশীল মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সচিব মহোদয়ের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা মেনে আমাদের জাতীয় পর্যটন খাতকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নানামুখী ইতিবাচক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আমাদের মাতৃভূমির অপার পর্যটন সম্ভাবনাগুলোকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অত্যন্ত সফলভাবে পরিচিত করা, বিশ্ববাসীর কাছে ভ্রমণপিপাসুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং এই সম্ভাবনাময় শিল্পে দেশি ও বৈদেশিক মূলধন বিনিয়োগের প্রবাহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড। দেশের স্বার্থে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক ও পেশাদার যোগাযোগ রক্ষা করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয় বলেও তিনি জোরালো ভাষায় উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও দীর্ঘমেয়াদী সুসম্পর্কের অবিচ্ছিন্ন ধারায় এবার এই উদীয়মান পর্যটন খাতের ভেতরেও উভয় দেশের যৌথ সহযোগিতা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। ইউরেশীয় দেশটির সাধারণ ভ্রমণকারীদের কাছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে একটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর অবকাশ যাপনের স্থান হিসেবে প্রচার করা এবং অভ্যন্তরীণ পর্যটন অবকাঠামোয় তুর্কি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল।
আগামী দিনগুলোতেও দুই দেশের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যকার এই পারস্পরিক যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সখ্য অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ভ্রমণ শিল্পের প্রবৃদ্ধি ঘটবে এবং অর্থনৈতিকভাবে আমাদের সম্ভাবনাময় এই খাতটি আরও বেশি শক্তিশালী রূপ লাভ করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা