নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ঘটনার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে মুম্বাই পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চ। হামলাকারীদের গ্রেফতারে মাঠে নামানো হয় মোট ১৫টি বিশেষ তদন্তকারী দল। এরই ধারাবাহিকতায় মুম্বাই ও রাজস্থান পুলিশের যৌথ গোয়েন্দা অভিযানে বড় ধরনের সফলতা অর্জিত হয়েছে।
ঘটনার ঠিক ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই পুনে থেকে জয়পুরগামী একটি ট্রেন থেকে তিন প্রধান অভিযুক্তকে রাজস্থানের কোটা রেলওয়ে স্টেশন থেকে আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মূলত নেপালে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষছিল।
আটককৃতদের মধ্যে হৃতিক কুমারের বয়স ২২ বছর এবং তার বাড়ি বিহারে। এছাড়া অপর অভিযুক্ত রেহানের বয়স ১৮ বছর এবং ১৭ বছর বয়সী কিশোর উভয়েই হরিয়ানার বাসিন্দা।
এই তিনজনের পাশাপাশি সান্তাক্রুজ এবং মহারাষ্ট্র-গুজরাট সীমান্ত এলাকা থেকেও আরও বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে মোট পাঁচজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।
এদিকে এই হামলার পরপরই ফেসবুকের মাধ্যমে একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের দুই সদস্য অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু।
তারা নিজেদেরবার্তায় উল্লেখ করেছে যে, অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে টাইগারকে এর আগেও সাবধান করা হয়েছিল।
ওই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে স্পষ্ট হুমকি দিয়ে বলা হয়, বলিউডের যে কেউ যদি তাদের নির্দেশ অমান্য করে কিংবা সালমান খানের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যায়, তবে তাদের ভাগ্যেও একই ধরনের পরিণতি অপেক্ষা করছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর