নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ দল। ইনিংসের প্রথম ভাগে মাত্র ৭ ওভারের খেলা শেষ হতেই ২৮ রান সংগ্রহ করতে গিয়ে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে তারা। ইনিংসের একদম শুরুতেই দ্রুত উইকেট পতনের ফলে দলটি এখন মারাত্মক চাপের মুখে রয়েছে।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শারজার মাঠে প্রথম বিপদে পড়ে টাইগাররা। ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের করা অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটের পেছনে রহমতউল্লাহ গুরবাজের হাতে ক্যাচ দেন ওপেনার তানজিদ হাসান। সাজঘরে ফেরার আগে তিনি ৬ বল মোকাবিলা করে মাত্র ১ রান করতে সক্ষম হন।
তানজিদের বিদায়ের ঠিক পরের বলেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সৌম্য সরকার। ইয়ামিনের অফ স্টাম্পের বাইরে করা বলটি কাভার ড্রাইভ করার চেষ্টা করলে সেটি ব্যাটের কানায় লেগে সরাসরি নিজের স্টাম্পে গিয়ে আঘাত হানে। ফলে তিনে ব্যাট করতে নেমে খাতা খুলতেই গোল্ডেন ডাক নিয়ে শূন্য রানে ফেরেন এই ব্যাটসম্যান।
সৌম্য আউট হওয়ার পর ইয়ামিনের সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগ আসলে তা সফলভাবে প্রতিহত করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ইনিংসের শুরুতে তার ব্যাটের কানায় লেগে বল স্টাম্প ঘেঁষে চলে যাওয়ায় কভাগ থেকে একটি চারও পেয়েছিলেন তিনি।
তবে অফ স্টাম্পের বাইরের বলগুলোর বিপক্ষে নিজের অস্বস্তি তিনি পুরোপুরি কাটাতে পারেননি। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে শেষ পর্যন্ত গুরবাজের গ্লাভসে ধরা পড়ার আগে শান্ত ২৩টি বল খেলে সংগ্রহ করেন ১৫ রান।
শান্তর পতনের পর দলের রান বাড়ানোর দায়িত্বে নামলেও ক্রিজে বেশি সময় টিকতে পারেননি অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। বোলার আজমতউল্লাহ ওমরজাই নিজেই নিজের বলে চমৎকার একটি ক্যাচ লুফে নিয়ে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশ অধিনায়ককে।
এবারের ম্যাচে একাদশে সৌম্য সরকার থাকা সত্ত্বেও তাকে ইনিংসের শুরুতে ওপেনিংয়ে নামানো হয়নি। এর আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে খেলা সাইফ হাসানকে তানজিদ হাসানের সঙ্গে যুক্ত করে ইনিংসের গোড়াপত্তন করা হয়।
তবে দলীয় স্কোরে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই পরপর তিন উইকেট হারিয়ে দল যখন চরম বিপদে পড়ে, তখন সেই প্রাথমিক চাপ সামাল দেওয়ার পুরো দায়িত্ব এসে বর্তায় সাইফ হাসানের ওপর। সব মিলিয়ে প্রথম ৭ ওভারের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৮ রান।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর