নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার সবচেয়ে বড় এবং মূল্যবান দিকটি হলো মূলত শেখার পদ্ধতিটাই আয়ত্ত করা, এমনটাই মনে করেন অ্যাপলের শীর্ষ নির্বাহী জন টার্নাস। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত হওয়ার পরেও মানুষের নতুন কিছু শেখার প্রয়োজনীয়তা কখনোই শেষ হয়ে যায় না।
বর্তমান যুগের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি এবং কর্মক্ষেত্রের নানা নতুন চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হলে নিয়মিতভাবে নতুন জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত আবশ্যক একটি বিষয়।
কোনো বিষয়ে ভুল হলে কিংবা কোনো তথ্য অজানা থাকলে অন্যেরা তাকে অযোগ্য মনে করতে পারেন—এই অমূলক ভীতি ও আশঙ্কায় অনেক মানুষই নিজেদের দুর্বলতা বা ঘাটতিগুলো সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন।
তবে এই ভুল মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে জন টার্নাস বলেন, যখনই আমার কোনো বিষয়ে সাহায্যের প্রয়োজন হয়েছে, তখন আমি কখনোই সাহায্য চাইতে বিন্দুমাত্র ভয় পাইনি এবং এই সাহসের জন্য আমি সব সময় অত্যন্ত কৃতজ্ঞ থাকব।
পেশাগত জীবনে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার জন্য জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা, নিজের ভুলগুলো থেকে সঠিক শিক্ষা নেওয়া এবং নিজের সীমাবদ্ধতাগুলো সঠিকভাবে চেনা একান্ত জরুরি।
পেশাগত ক্ষেত্রে সবসময় কাজের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ ও আন্তরিক মানুষের সান্নিধ্যে থাকলে নিজের দক্ষতা ও পরিসর বাড়িয়ে তোলার জন্য দারুণ অনুপ্রেরণাও পাওয়া যায়।
কর্মজীবনের একেবারে শুরুতেই সবকিছু একসঙ্গে জেনে ফেলার অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ নেওয়ার কোনোই আবশ্যকতা নেই বলে জানান এই শীর্ষ করপোরেট ব্যক্তিত্ব।
যেসব বিষয় বা ক্ষেত্র সম্পর্কে এখনো কোনো ধারণা নেই কিংবা অজানা রয়েছে, সেগুলোর গভীর অর্থ বুঝে তা শেখার জন্য স্বউদ্যোগী হওয়াই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর