নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
শীতকাল আসার আগেই বাড়ির অন্দরমহলকে প্রস্তুত করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। কারণ এই ঋতুতে বাইরে থেকে জুতোয় করে ঘরে কাদা ও ধুলোবালি প্রবেশের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
এই সমস্যা এড়াতে ঘরের প্রবেশপথ, বারান্দা এবং ড্রয়িংরুমের কার্পেট নিয়মিত ভ্যাকিউম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত বা ঝাড়ু দিতে হবে। কার্পেটে কোনো ধরনের দাগ পড়ে গেলে কালবিলম্ব না করে তা তরল ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলা বাঞ্ছনীয়, যাতে দাগ চিরতরে বসে না যায়।
শীতকালে হরেক রকম সুস্বাদু খাবার তৈরি এবং পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে ঘরে বসে খাওয়ার আনন্দটাই সম্পূর্ণ আলাদা। আর এই কারণেই শীতের আমেজ আসার আগেই রান্নাঘরের প্রতিটি কোণ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
রান্নাঘর পরিষ্কারের সময় ক্যাবিনেটের হ্যান্ডেল, কাউন্টার টপ, সিঙ্ক, দেয়াল এবং মাইক্রোওভেনের ভেতরের অংশ খুব ভালোভাবে মুছে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।
শীতের রাতে বাথরুমের দরজা-জানালা বন্ধ রাখলে সেখানে বাষ্প জমে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। এই স্যাঁতসেঁতে ভাব থেকে ক্ষতিকর ছত্রাক বা মোল্ড জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তাই বাথরুমের এগজস্ট ফ্যানটি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া দরকার। পাশাপাশি, বাথরুম ব্যবহারের পর দেয়াল কিংবা আয়নায় জমে থাকা অতিরিক্ত বাষ্প মুছে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
দীর্ঘদিন আলমারিতে বন্দি থাকা শীতের ভারী কম্বল, কাঁথা, লেপ কিংবা তোশক বের করে রোদে দেওয়া আবশ্যক।
এর পাশাপাশি, সোফার কুশন কভার এবং অতিরিক্ত চাদরগুলো শীতকালে ব্যবহারের আগে অবশ্যই ধুয়ে নিয়ে রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমে থাকা ধুলোবালি ও অ্যালার্জির জীবাণু সহজেই দূর করা সম্ভব হবে এবং ঘরের ভেতরে একটি চমৎকার তাজা ভাব তৈরি করা যাবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর