নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রবন্ধ বা পারসোনাল স্টেটমেন্ট তৈরি করলে আবেদনকারীদের নানাবিধ জটিলতার মুখে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলা হয়েছে যে, সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিবরণী কিংবা ব্যক্তিগত রচনা লেখার সময় প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল হওয়া ক্ষতিকর হতে পারে।
এআই টুলস দিয়ে কোনো রচনা নিখুঁত বা পরিপাটি করা সম্ভব হলেও তাতে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর মৌলিক অনুভূতি, ব্যক্তিগত আগ্রহ, অনুপ্রেরণা এবং নিজস্ব চিন্তাধারার প্রকৃত বহিঃপ্রকাশ ঘটে না বললেই চলে। অথচ ভর্তি কমিটির কাছে এই সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলোই মূলত একজন প্রার্থীকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা এবং স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, ইয়েল ইউনিভার্সিটি, প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি এবং কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদর তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বদলে নিজেদের স্বকীয়তা ও নিজস্ব মেধার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে শুধুমাত্র ভাষার মান বাড়ালেই যে ভর্তিযুদ্ধে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করা যাবে, বিষয়টি এমন নয়। মার্কিন মুলুকে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র তৈরি করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পড়াশোনার অভ্যাস, সত্যিকারের অনুরাগ, দায়িত্বশীল মানসিকতা এবং নিজের জীবনের লক্ষ্য ও অভিজ্ঞতাগুলোর স্বচ্ছ বয়ান অত্যন্ত জরুরি।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর