ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বিছানায় মুক্তিপণের চিঠি, ময়লার ভাগাড়ে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ—পটিয়ায় চাঞ্চল্য

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 18, 2026 ইং
বিছানায় মুক্তিপণের চিঠি, ময়লার ভাগাড়ে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ—পটিয়ায় চাঞ্চল্য ছবির ক্যাপশন: বিছানায় মুক্তিপণের চিঠি, ময়লার ভাগাড়ে মিলল শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ—পটিয়ায় চাঞ্চল্য
ad728

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের পটিয়ায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করে বিছানায় চিঠি রেখে যাওয়ার ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত মর্মান্তিক পরিণতিতে গড়িয়েছে। ময়লার ভাগাড় থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত শিশুর নাম জায়হান। সে স্থানীয় গ্যারেজ ব্যবসায়ী শাহজাহানের একমাত্র সন্তান এবং একটি নূরানি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।

নিখোঁজ থেকে মরদেহ উদ্ধার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে বাড়ির সামনে খেলার সময় নিখোঁজ হয় জায়হান। পরিবারের প্রাথমিক ধারণা ছিল শিশুটি পুকুরে পড়ে গেছে। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়।

এর দুই দিন পর বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে পটিয়া পৌরসভার দক্ষিণ গোবিন্দার খীল এলাকার একটি ময়লার ভাগাড় থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিছানায় পাওয়া যায় মুক্তিপণের চিঠি

ঘটনার দিন বিকেলে শিশুটির বাড়ির শয়নকক্ষে একটি হাতে লেখা মুক্তিপণ দাবি করা চিঠি পাওয়া যায়। চিঠিতে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয় টাকা পৌঁছে দিতে।

সন্দেহে পাঁচজন আটক

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই পরিবারের পাঁচ প্রতিবেশী—সাইফুল, শাহানুর, নিহা, নিহান ও ওয়াসিফা—কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

পরিবারের অভিযোগ, টাকার লোভে পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। পরে ধরা পড়ার ভয়ে তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশের বক্তব্য

পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের সৃষ্টি করেছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের