নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সুন্দরবনের সংরক্ষিত এলাকার ভেতর দিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া প্রায় দুই শ ত্রিশ টন কয়লাসহ একটি বাল্কহেড এবং এর সঙ্গে জড়িত নয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বন বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনের যৌথ পদক্ষেপে এই অবৈধ চালানের সন্ধান মিলেছে।
আটককৃত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন তারিকুল ইসলাম, দুলাল হাওলাদার, সুমন তালুকদার, নুর নবী, এনায়েত করিম, মো. ওবায়দুল, মামুন, মো. লায়েক মিয়া এবং কবির হোসেন। এই সন্দেহভাজনদের বয়স একুশ থেকে পঞ্চাশ বছরের মধ্যে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যক্তিদের স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে দেশের ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে। এর মধ্যে বাগেরহাট জেলার মোংলা ও মোরেলগঞ্জ এলাকা ছাড়াও পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দারা এই দলে অন্তর্ভুক্ত আছেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, জব্দ করা এই কয়লাবোঝাই জলযানের বিপরীতে কোনো আইনগত বা বৈধ মালিকানার কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিমাপের পর এই জলযানে মোট দুই শ ত্রিশ টন কয়লার উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে জব্দকৃত মালামালসহ আটক ব্যক্তিদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার শ্যামা প্রসাদ রায় বাদী হয়ে একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রোকেয়া খানম নিশ্চিত করেছেন যে, সুন্দরবনের ভেতর অবৈধভাবে কয়লা পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ধারা অনুযায়ী মামলার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর