নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পবিত্র কোরআন মজিদে ইরশাদ করা হয়েছে, 'জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।' (সুরা রাদ: ২৮)
প্রাত্যহিক জীবনে সুশৃঙ্খলভাবে সালাত আদায়, পবিত্র কোরআন পাঠ, মাসনুন দোয়া এবং জিকির একজন মুমিনের অন্তরে গভীর শান্তি ও স্বস্তি তৈরি করে।
যেকোনো ধরনের জটিলতা বা সংকটময় মুহূর্তে নিরাশ বা হতাশ না হয়ে সব্র বা ধৈর্য ধারণ করার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করে মহাগ্রন্থ আল-কোরআন, যেখানে বলা হয়েছে, 'নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।' (সুরা বাকারা: ১৫৩)
অতএব, যেকোনো বিপদের মুখোমুখি হলে তাতে ধৈর্য ধারণ করার পাশাপাশি শরিয়তের বা ইসলামি নীতিমালা অনুযায়ী নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তার উত্তরণের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
মানসিকভাবে যন্ত্রণায় বা কষ্টে দিন কাটানো মানুষের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা প্রতিটি পরিবার এবং সমাজের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়।
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বা ভেঙে পড়া কোনো মানুষের কথা অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এবং ধৈর্য ধরে শোনা উচিত, এবং পরিস্থিতি সাপেক্ষে তাকে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর