নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
তারাগঞ্জ চৌপথীর পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন যে, তাদের দল যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসে, তবে এই জনমভূমির সকল নাগরিক—যাঁরা এই মাটিতে জন্ম নিয়েছেন এবং বড় হয়েছেন, সেই সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে একত্রিত হয়েই দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে।
সেদিনের ওই সমাবেশে ইসলাম, সনাতন, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন উল্লেখ করে তিনি জানান, ধর্মের কারণে নাগরিকদের মাঝে যেন কোনো দূরত্ব তৈরি না হয় এবং একে অপরকে যেন আলাদা না করা হয়।
তারেক রহমান স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, সবার একটাই অভিন্ন পরিচয় থাকা উচিত এবং তা হলো তাঁরা সবাই বাংলাদেশি।
সরকারপ্রধান আরও বলেন যে, মাতৃভূমির ওপর সাধারণ মানুষের যে অধিকার রয়েছে, তাঁর নিজের অধিকারও তার চেয়ে বেশি কিছু নয়; ফলে দেশের প্রতি সকলেরই সমান দাবি, অধিকার ও দায়িত্ব জড়িয়ে আছে।
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন সবাই মিলে আমাদের এই স্নেহের জন্মভূমিকে আরও আকর্ষণীয় ও উন্নত করে গড়ে তুলি।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে একঝাঁক দেখার জন্য সৈয়দপুর থেকে শুরু করে রংপুর মেডিকেল মোড় হয়ে শহরের প্রেসক্লাব এলাকার রাধা গোবিন্দ মন্দির পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে অগণিত নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করছিলেন।
উপস্থিত জনতা ও সমর্থকদের মাঝে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষও অংশ নিয়েছিলেন।
সে সময় রাস্তার দুপাশে অপেক্ষারত উৎসুক জনতার দিকে হাত নেড়ে উষ্ণ অভিবাদন ও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর