নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ধৃতদের দেওয়া বয়ানের সূত্র ধরে মঙ্গলবার আন্দির একটি বনাঞ্চল থেকে হাড় ও কাপড়আঁচড় উদ্ধার করা হয়। মৃত সবুজের বাবা সিরাজ মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে জামাকাপড়, গামছা ও জুতো দেখে সেগুলো তার সন্তানের বলে নিশ্চিত করেন।
পুলিশের বিশেষ শাখার ভাষ্যমতে, আটককৃতরা জানিয়েছে যে গত ছাব্বিশে সেপ্টেম্বর বিকেলে যাত্রী সেজে সখীপুরের তালতলা চত্বর থেকে ওই চালকের যানটি ভাড়া করা হয়। নানা পথ ঘুরে বেড়ানোর পর সন্ধ্যার দিকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে বেহুঁশ করা হয়।
এরপর অপরাধীরা হাত ও পা শক্ত করে বেঁধে তাকে ওই বনের গহীনে ফেলে রেখে যানটি নিয়ে চম্পট দেয় বলে জানা গেছে।
সখীপুর থানার প্রধান কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন জানান, প্রাপ্ত অবশেষ ওই কিশোরের কি না তা পরীক্ষাগারে ডিএনএ ও ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। শুরুতে নির্দিষ্ট কোনো সূত্র না পাওয়ায় রহস্য উন্মোচনে সামান্য দেরি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত চারজনকে জালে তোলা হয়েছে। এছাড়া অন্য কেউ এই চক্রে যুক্ত রয়েছে কি না, তা নিয়ে তল্লাশি চলছে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর