নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বিড়ির ব্যবসা নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের প্রসঙ্গে জিতু নিজের বক্তব্য তুলে ধরে জানান, তাঁর বিড়ি যে নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিক্রি হয়, মিঠুর বিড়িও ঠিক একই এলাকায় বিপণন করা হয়। মূলত এই বাণিজ্যভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও আধিপত্য বিস্তার ঘিরেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ঘটনার পর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওচিত্রটিতে সংশ্লিষ্ট দলীয় কার্যালয়টির ভেতর বেশ কিছু চেয়ার এবং দুটি দলীয় ব্যানার সম্পূর্ণ এলোমেলো ও বিশৃঙ্খল অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিওটির ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের দিক থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির কণ্ঠস্বর শোনা যায়, যিনি সেখানে উপস্থিত বা অন্য কাউকে নির্দেশ দিয়ে বলছিলেন চেয়ার ও ব্যানার সরানোর পাশাপাশি খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান এবং তারেক জিয়ার ছবিগুলো ভেঙে ফেলার জন্য।
তবে এই ভিডিওর দৃশ্যাটোলে সরাসরি কাউকে কোনো কিছু ভাঙচুর করতে বা হাত দিতে দেখা যায়নি। বরং সেই ভিডিওতে উল্লেখিত তিনজন নেতার ছবিই সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় দেয়ালে বা নির্দিষ্ট স্থানে ঝুলতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যম বা সামাজিক মাধ্যমে আরও কিছু স্থিরচিত্র প্রকাশিত হয়, যেগুলোতে ওই তিন নেতার ছবিগুলো ভাঙচুর করা বা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিও ক্লিপ ও স্থিরচিত্রগুলো ঠিক কোন সময় বা তারিখে ধারণ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর