নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মা ইলিশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান। তিনি জানান, পদ্মার পার এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ ও অস্থায়ী বাজারগুলো উচ্ছেদে অচিরেই একটি বড় ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে এর সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্য দেখা মিলছে রাজবাড়ী জেলায়। সেখানে উন্মুক্তভাবে পদ্মায় চলছে ইলিশ ধরার মহোৎসব এবং দিবালোকের মধ্যেই নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে জমে উঠছে ইলিশ কেনাবেচার অস্থায়ী হাট।
বিশেষ করে রাজবাড়ী সদরের মেছোঘাটা, গোদারবাজার ও উড়াকান্দা এবং গোয়ালন্দ উপজেলার কলারবাগান, কুশাহাটা ও অন্তার মোড় এলাকায় প্রকাশ্যে ইলিশ ধরা এবং তা বিক্রির কার্যক্রম চলছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলার জেলে বাবু মন্তব্য করেন যে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে নিবন্ধিত প্রকৃত জেলেরা নদীতে নামছেন না। কিন্তু কতিপয় মৌসুমি জেলে এই সুযোগে অবাধে মাছ শিকার করায় প্রকৃত জেলেদের পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে মা ইলিশ রক্ষার সরকারি প্রচেষ্টা।
রাজবাড়ী সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম পাইলট জানান, জনবলের অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে তাঁদের চলমান অভিযানে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গত বছর কোস্ট গার্ডের সাহায্য পাওয়া গেলেও চলতি মৌসুমে সেই সহায়তা মিলছে না।
সর্বশেষ রাজবাড়ীর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব উল হক বলেন, তাঁরা নিজেদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে নদীতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মাঝেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিছু অসাধু মৌসুমি জেলে গোপনে মাছ শিকার অব্যাহত রেখেছেন।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর