নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
চাঁদপুরের বহুল আলোচিত কোহিনুর বেগম হত্যা মামলায় আদালতের রায়ের দুই বছর পর এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও পলাতক জীবন শেষে আইনের আওতায় আসা এই আসামির বিরুদ্ধে এর আগেই আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির রায় ঘোষণা করেছিলেন।
মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার কোহিনুর বেগমের কাছে প্রধান আসামি নাজমা আক্তারের নগদ পাঁচ লাখ টাকা পাওনা ছিল। এই বড় অংকের পাওনা টাকা দীর্ঘ সময় ধরে ফেরত দিচ্ছিলেন না নাজমা। বকেয়া টাকা পরিশোধের তাগিদ দিতেই ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট রাতে ভুক্তভোগী কোহিনুর রহমতপুর কলোনিতে যান।
ওই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে পাওনা টাকা আদায়ের বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মূল অভিযুক্ত নাজমা এবং তার সহযোগী রফিক মিলে নিষ্ঠুর আক্রমণ চালায়। তারা ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে এবং ভারী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে অত্যন্ত নির্মমভাবে কোহিনুর বেগমকে হত্যা নিশ্চিত করে।
হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর ঘাতকরা মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে নাজমার নিজস্ব বসতঘরের ভেতরে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে অপরাধ লুকানোর পরিকল্পনা করে অভিযুক্তরা সবাই দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন চলে যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর