নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সরকার শতভাগ আখচাষিকে প্রণোদনা দেওয়ার কথা বললেও তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা কাদেরী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যেখানে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা বর্জন করছেন, সেখানে একজন সংসদ সদস্যের কেন এই প্রণোদনার অর্থ নেওয়া উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের প্রবণতা নতুন নয় এবং অতীতেও সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে দলীয়করণের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সারের ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রেও যোগ্য ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে দলীয় লোকজনকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ জানিয়েছেন, সমালোচকরা প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত নন। সুগার মিল থেকে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষেই প্রকৃত আখচাষিরা এই প্রণোদনা পেয়ে থাকেন। গত বছর এবং চলতি বছর মিলিয়ে তার ১৮ থেকে ২০ বিঘা জমিতে আখ চাষ রয়েছে বলে তিনি জানান। বাপ-বেта মিলে ১৯ হাজার টাকা পাওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই অর্থ তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নেননি, বরং একজন সাধারণ আখচাষি হিসেবেই তা পেয়েছেন।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর