নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের বাধা দেওয়ার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী দেলাওয়ার হোসেন জানিয়েছেন যে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাদ দিয়ে কখনোই কোনো নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। তাদের কেন্দ্রমুখী করতে তারা নিজেরা নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
জামায়াত প্রার্থীর এমন সব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপির প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী। তিনি দাবি করেন যে, প্রতিপক্ষ প্রার্থী সাধারণ ভোটারদের দ্বারে যাওয়ার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও গণমাধ্যমেই বেশি সময় ব্যয় করছেন।
তার ভাষ্যমতে, প্রার্থীর পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, তার পুরোটাই ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং সম্পূর্ণ কাল্পনিক। প্রচারণার পুরো একুশ দিন জেলায় কোনো বড় ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেনি এবং হুমকি দেওয়ার দাবিটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা।
উলটো প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকজন প্রকাশ্যেই চোখ তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে কঠোর দাবি করেন পয়গাম আলী। অর্থ দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান যে, বালিয়া ইউনিয়নে জামায়াতের এক কর্মীকে অর্থ ও ভোটার স্লিপসহ হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনগণ এবং বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
মানবকল্যাণ পরিষদে সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিএনপির পক্ষ থেকে ভোজসভার আয়োজনের অভিযোগও তিনি জোরালোভাবে অস্বীকার করেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, রাজধানী ঢাকায় বসবাসকারী ঠাকুরগাঁওয়ের কিছু তরুণ ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের নিজস্ব উদ্যোগে ওই প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়েছিল, যার সঙ্গে তাদের দলের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই।
সবশেষে পয়গাম আলী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তাদের দল সবসময় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং জনগণের চূড়ান্ত রায়ের মাধ্যমেই জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর