ঢাকা | বঙ্গাব্দ

টিএসসিতে আজ প্রয়াত বাউল সাধক হালিম বয়াতির স্মরণোৎসব

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 25, 2026 ইং
টিএসসিতে আজ প্রয়াত বাউল সাধক হালিম বয়াতির স্মরণোৎসব ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংকট বা টিএসসি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুণী শিল্পী হালিম বয়াতির জীবন ও কর্ম নিয়ে বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠান। নির্ধারিত আলোচনা পর্বের পরপরই মঞ্চে গানে গানে মুখরিত হবে বাউল সুরের জমজমাট ও বর্ণাঢ্য আসর।

লোকসংগীতের এই আয়োজনে শিল্পীদের কণ্ঠে বাউল গান উপভোগ করার সুযোগ পাবেন শ্রোতারা। মঞ্চে সুরের মূর্ছনা ছড়াতে অংশ নেবেন সুপরিচিত একদল সংগীতশিল্পী ও বাউল সাধক।

আসরে যাঁদের গান পরিবেশন করার কথা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন আলেয়া বেগম, ফকির আবুল সরকার, লতা দেওয়ান এবং রুমা সরকার।

সঙ্গীত পরিবেশনের এই তালিকায় আরও যুক্ত রয়েছেন মুক্তা সরকার, সৈয়দ আশিকুর রহমান, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও বগা তালেবের মতো নিবেদিত প্রাণ শিল্পীরা।

পাশাপাশি সংগীত পরিবেশন করবেন আকাশ গায়েন, শাহ মোহাম্মদ শিপন, সোহাগ প্রামাণিক ও খোকন চিশতির মতো গুণী শিল্পীরাও।

সাংস্কৃতিক এই আয়োজনে আরও অংশ নেবেন মারুফ মৃন্ময়, জয়িতা অর্পা, সানজিদা প্রমি এবং উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী ইমরান হোসাইন।

তালিকায় থাকা অন্যান্য পরিবেশকদের মধ্যে রয়েছেন অভিবাদন দাস, নবীন কিশোর গোস্বামী, নাজমুল সরকার নিহাত ও রহমান জনি।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে সুরের আবহ তৈরি করতে মঞ্চে উঠবেন মনিরুজ্জামান খান, মাল সালমান এবং মাহাবুব খালাসী।

সংগীত সাধনার এক সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এই বয়াতির জীবনে, যিনি মাত্র সাত বছর কচি বয়সেই গান গাওয়ার ভুবনে প্রথম পা রেখেছিলেন।

নিজের সৃষ্টিশীল সাধনায় তিনি দেহতত্ত্ব ছাড়াও শরিয়ত, মারফত, হকিকত এবং তরিকতের মতো গভীর আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে অসংখ্য গান রচনা করেছেন।

কেবল আধ্যাত্মিক ধারাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বরং দেশপ্রেমের গান তৈরিতেও তাঁর সমান পারদর্শিতা ও নিপুণ দক্ষতা ছিল।

মাতৃভূমির প্রতি অগাধ ভালোবাসার টানে তিনি গানের সুরের মায়া ত্যাগ করে সরাসরি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

লোকসংগীতের বিশাল ভাণ্ডারে অনন্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি তাঁকে ২০০১ সালে সম্মানসূচক ফেলোশিপে ভূষিত করে।

সম্মানের এই পালকে যুক্ত হয়েছিল কবি জসীমউদ্‌দীন গবেষক স্বর্ণপদক অর্জনের গৌরবময় আরও একটি বড় স্বীকৃতি।

বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির এই ক্ষণজন্মা শিল্পী ২০০৭ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি চিরদিনের মতো না ফেরার দেশে চলে যান।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তামা, কাঁসা ও পিতলের বাসনপত্র দীর্ঘদিন নতুনের মতো রাখার কার্

তামা, কাঁসা ও পিতলের বাসনপত্র দীর্ঘদিন নতুনের মতো রাখার কার্