নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আসন্ন রবি মৌসুমে সার সরবরাহের পরিমাণ এবং বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছর প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, নতুন কোনো কৃষিপণ্যের চাষাবাদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়নি। এরপরেও যদি ভবিষ্যতে সারের চাহিদা আরও বেড়ে যায়, তবে তা সফলভাবে সামাল দিতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
বিশেষ করে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সার যেন কোনোভাবেই চোরাচালান হতে না পারে, সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কড়া নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর কিছু অঞ্চলে নন-ইউরিয়া সারের মূল্য ও চাহিদা বেশি থাকায় সেখান থেকে সার পাচার হওয়ার একটা বড় শঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ইউরিয়া সারের ঘাটতি থাকায় বাংলাদেশ থেকেও ইউরিয়া পাচার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন যে, যেকোনো মূল্যে দেশের সার দেশের সীমানা পেরিয়ে বাইরে চলে যাওয়া প্রতিহত করতে হবে। অনিয়মের সাথে জড়িত সার ডিলারদের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে এবং এর সাথে কোনো কর্মকর্তা জড়িত প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দেশের সব জেলার জেলা প্রশাসক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকগণ ভার্চুয়ালি বা অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর