নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আইনগত বিধান অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে জামিন পেতে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন আসামি রাসেল।
আইনজীবীর মাধ্যমে নিজের জামিন মঞ্জুর করার আবেদন পেশ করলেও বিচারালয় উভয় পক্ষের আইনি যুক্তি শুনে তা সরাসরি খারিজ করে দেন।
পরবর্তীতে বিচারিক প্রক্রিয়া মেনে তাঁকে কঠোর নিরাপত্তায় সরাসরি কারাভ্যন্তরে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলী।
দুর্নীতি দমন কমিশন তথা দুদকের প্রধান আইনজীবী খন্দকার শামীম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে এই আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সত্য বলে জানান।
এই মামলার রায়ে সাজা প্রাপ্তদের তালিকাভুক্ত রয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী সহ একাধিক সাবেক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আরও অন্তর্ভুক্ত আছেন রাজউকের সাবেক সদস্য এস. ডি. ফয়েজ, এ. কে. এম. ওয়াহেদুল ইসলাম এবং এস. এম. জাফর উল্লাহ।
তালিকায় থাকা অন্যান্য দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক কর্মকর্তারা হলেন এইচ. এম. জহুরুল হক এবং মোড়ে রেজাউল করিম তরফদার।
এছাড়াও বিখ্যাত শিল্পগোষ্ঠী পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের দুই সন্তান শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেল এই মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন।
আদালত এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রত্যেক অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের পাশাপাশি নির্দিষ্ট অঙ্কের আর্থিক জরিমানার আদেশও প্রদান করেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর