নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ন্যূনতম মজুরি ত্রিশ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর অঞ্চলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের সূত্র ধরে দায়ের করা মামলায় আটককৃত ছাব্বিশ ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত রোববার সংঘটিত এই সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মোট পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
আদালতের প্রসিকিউশন শাখার সাধারণ নিবন্ধন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম এবং উপপরিদর্শক আবু বক্কর গণমাধ্যমের কাছে এই বন্দী প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের বিবরণে প্রকাশ, গত রোববার মিরপুর ও এর পার্শ্ববর্তী পল্লবী এলাকায় ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিকেরা রাস্তা নেমে আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে এই আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে এবং পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ বাঁধে। সেই সময়ে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়, সরকারি দায়িত্বে বাধা সৃষ্টি করা হয়, বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এবং যানবাহন ভাঙচুরের মতো ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটে।
এই সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মোট পাঁচটি আলাদা মামলা দায়ের করে। সংঘর্ষের চলমান সময়ে এবং পরবর্তী সময়ে তল্লাশি চালিয়ে মোট ছাব্বিশজনকে আটক করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে এই আটক ব্যক্তিদের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয় এবং বিচারকের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ধারায় দায়ের করা প্রথম মামলায় তেরোজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একই থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা দ্বিতীয় মামলায় আরও সাতজনকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা তৃতীয় মামলায় আরও ছয়জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর