নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সামরিক আগ্রাসনের তীব্র হুমকির মুখে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। গত শনিবার, ৩১ অক্টোবর তারিখে তার নিজস্ব দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে এই কঠোর বার্তাটি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হয়। ওই বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশের শত্রুরা যদি নতুন করে কোনো ধরনের সামরিক হামলা পরিচালনার দুঃসাহস দেখায়, তবে সেই সংঘাত কখন এবং কীভাবে সমাপ্তির পথে যাবে, তার পুরো নিয়ন্ত্রণ থাকবে সম্পূর্ণভাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের সাহসী জনগণের হাতেই।
বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তেহরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এবার আর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে শত্রুর আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে না। অর্থাৎ আক্রমণকারীদের ভৌগোলিক গণ্ডির বাইরেও প্রতিহত করা হতে পারে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল মোজতবা খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক প্রধানদের সাথে প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দেশের সামরিক খাতের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সরাসরি অংশ নেন।
উক্ত বৈঠকে মোজতবা খামেনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আব্দুল্লাহি, সেনাপ্রধান আমির হাতামি এবং দেশটির শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ডস বা আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার আহমেদ ওয়াহিদি। মূলত দেশের বর্তমান প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ করতেই এই শীর্ষ বৈঠকটি আহ্বান করা হয়েছিল বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর