ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পলিটিকোর তিনটি বিতর্কিত সংবাদ সরাতে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া হুঁশিয়ারি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 22, 2026 ইং
পলিটিকোর তিনটি বিতর্কিত সংবাদ সরাতে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া হুঁশিয়ারি ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত তাদের বিতর্কিত তিনটি সংবাদ সরিয়ে ফেলার জন্য জোরালো হুমকি দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, এই সংবাদগুলো দ্রুত প্রত্যাহার করা না হলে সংশ্লিষ্টদের মারাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৫ অক্টোবর, যার শিরোনাম ছিল ‘ট্রাম্পের বরফশীতল নারী সহযোগী এখন চাপের মুখে’। ওই সংবাদে দাবি করা হয় যে, সুসি ওয়াইলসের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার কথা தீவிரভাবে চিন্তা করছেন ট্রাম্প। তৎকালীন সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংবাদটিকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

এর ঠিক পরের দিন আরেকটি নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করে পলিটিকো, যেখানে বলা হয় যে আগের খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর হোয়াইট হাউসের অন্দরে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র ওই নির্দিষ্ট প্রতিবেদনকে ‘অবিশ্বাস্য রকমের বোকামিপূর্ণ ও মিথ্যা’ বলে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন।

এরপর ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত হয় পলিটিকোর তৃতীয় ও আরেকটি আলোচিত প্রতিবেদন। সেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, ফক্স নিউজে শন হ্যানিটির অনুষ্ঠানে কেটি জাকারিয়ার সাক্ষাৎকারের নেপথ্যে ব্যবস্থা করেছিলেন সুসি ওয়াইলস স্বয়ং, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল জাকারিয়াকে বিপাকে ফেলা। উল্লেখ্য, ওই সাক্ষাৎকারটি আগের রাতেই টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছিল। তবে হোয়াইট হাউস এবং ফক্স নিউজ কর্তৃপক্ষ উভয়েই একযোগে এই দাবি জোরালোভাবে অস্বীকার করে।

সংবাদ প্রকাশের আগেই হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা পলিটিকোর কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খুদে বার্তা বা টেক্সট মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। ওই বার্তাগুলোতে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, ফক্স নিউজের ওই সাক্ষাৎকারের আয়োজন সুসি ওয়াইলস করেননি, বরং কেটি জাকারিয়া নিজেই সেই ব্যবস্থা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে নিউইয়র্ক পোস্ট পত্রিকা এই একই তথ্য বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করে।

হোয়াইট হাউসের শার্ফ এই পুরো বিষয়টিতে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন যে, পলিটিকো কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে পাঠানো এসব তথ্য এবং প্রতিবাদী বক্তব্য সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে প্রতিবেদনগুলো বহাল রেখেছে। তাঁর ভাষায়, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবেই এমন কোনো পেশাগত দায়মুক্তি হতে পারে না, যার আড়ালে থেকে সংবাদমাধ্যমগুলো তাদের কাজের জন্য কোনো ধরনের জবাবদিহি এড়িয়ে যেতে পারে।

শার্ফ আরও জোরালোভাবে দাবি করেন যে, পলিটিকোর একজন নিজস্ব প্রতিবেদক তাঁকে জানিয়েছেন যে, সুসি ওয়াইলসকে প্রতিবেদনগুলো থেকে বাদ দেওয়া হয়নি কারণ তিনি নিজেই ছিলেন ওই পুরো প্রতিবেদনের প্রধান ‘মূল আকর্ষণ’। শার্ফের মতে, সাংবাদিকতার নীতিমালার দিক থেকে এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং আইনিভাবেও তা মারাত্মক প্রশ্নবিদ্ধ।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জগন্নাথপুরে সরকারি জায়গায় বাঁশ রাখায় ব্যবসায়ীকে জরিমানা

জগন্নাথপুরে সরকারি জায়গায় বাঁশ রাখায় ব্যবসায়ীকে জরিমানা