নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বাল্যকালের সেই প্রেমানুভূতির দিনে একটি জবাগাছের নিচে আমাদের মুখোমুখি বসার স্মৃতি পৃথিবীর কোথাও না কোথাও আজও জীবন্ত রয়েছে। সেই সময়ে আমি তোমাকে সাদা কাগজে কালো কালির হরফে কিছু অক্ষর উপহার দিয়েছিলাম, যার প্রতিটির সঙ্গে মিশে ছিল আমার লাল রক্তের দাগ। बदले में तुम ने मुझे क्या दिया? তুমি আমাকে কেবল দিলে আঘাত ও প্রত্যাখ্যান।
এরপরও বহু বছর ধরে সেই জবাগাছটি এবং আমাদের ঘরটি একে অপরের মুখোমুখি অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল। আমি প্রতিবছর নির্দিষ্ট সেই তারিখটিতে এসে জবাগাছটি স্পর্শ করে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতাম, আর সামনে থাকত পৃথিবীর থমকে যাওয়া এক গ্রামের গভীর নীরবতা।
গাছের পাতা ঝরার মৃদু শব্দে যখন চারপাশের মৌনতা ভেঙে যেত, তখন আমি সেখান থেকে ফিরে আসতাম। তবে ফিরে আসার পথেও বারবার জবাগাছটির দিকে তাকিয়ে দেখতাম এবং জবা ফুলের সম্ভাব্য উপস্থিতি ও তার ঘ્રાণের টানে যেন বারবার সেখানে ফিরে যেতে মন চাইত।
তবে সেই ঘটনার পর আজ দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। আজ আর সেই জবাগাছটি কিংবা আমাদের সেই চেনা ঘরটির কোনোটিই আর পৃথিবীতে টিকে নেই, সবকিছুই আজ অতীত।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর